সিঙ্গাপুরের চিড়িয়াখানার আদলে আধুনিকায়ন হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা

0

সিঙ্গাপুরের চিড়িয়াখানার আদলে আধুনিকায়ন হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা। পাঁচটি জোনে বিভক্ত করা হবে পুরো চিড়িয়াখানাকে ।১৫ বছর মেয়াদী প্রকল্পের বাস্তবায়ন করবে বিখ্যাত চিড়িয়াখানা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বারনার্ড হ্যারিসন অ্যান্ড ফ্রেন্ডস লিমিটেড। কতৃপক্ষ বলছে, ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো প্রকল্পের প্লান হাতে আসবে।তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে সঠিক তদারকির উপর নজর দিতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা ।

সিঙ্গাপুর জু’ দেশটির বন কেন্দ্রিক অববাহিকায় তৈরি করা হয়েছে নিরাপদ ভাবে । যা বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চিড়িয়াখানাগুলোর একটি। যাকে বলা যায়, জীবজন্তুর একটি প্রকৃতিবাদী আবাস। বিভিন্ন ধরণের বাঁধা, পরিখা ও গ্লাস দিয়ে ঘিরে রাখায় দর্শনার্থীরা নিরাপদে এদের দেখতে পারে।

সে ধরনের চিড়িয়াখার আদলে জাতীয় চিড়িয়াখানাকে তৈরির পরিকল্পনা করছে সরকার।যেখানে যুক্ত হবে নাইট সাফারি। স্থাপন করা হবে সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য অ্যাকুরিয়াম। থাকবে ডলফিন শো। পাঁচ জোনে বিভক্ত হবে চিড়িয়াখানা। থাকবে আফ্রিকা ,বাংলাদেশী , গৃহপালিত , অন্যান্য প্রাণী ।

পড়ন্ত বিকেলে কিংবা রাতের রঙিন আলোয় বিভিন্ন অ্যাক্রোবেট দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকরা।সিঙ্গাপুরের বিখ্যাত চিড়িয়াখানা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বারনার্ড হ্যারিসন অ্যান্ড ফ্রেন্ডস লিমিটেড চিড়িয়াখানার আধুনিকায়নের কাজ করবে।

নতুন পরিকল্পনায় থাকছে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য ভাসমান রেস্তোরাঁ, ট্রাভেলকার।
ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান ডকুমেন্টস তৈরিসহ বাকি কাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই করা হবে।এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন দর্শনার্থীরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু বড় প্রকল্প নিলেই হবে না, সঠিকভাবে বাস্তবায়নে নিতে হবে আরো কিছু উদ্যোগ।
মেগাপ্রজেক্টটি শেষ করতে অন্তত ১৫ বছর লাগতে পারে বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কতৃপক্ষ।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন