সাধারন ছুটি শেষে শুরু হয়েছে ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল

0

দীর্ঘ দুই মাসের বেশী সময় বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হয়েছে ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল। প্রথম দিনে কঠোর মনিটরিং ও স্বাস্থ্যবিধি মানায় যাত্রীদের সরব উপস্থিতি ছিল না। তবে চলাচলের ওপর আরোপিত বিধি নিষেধ তুলে নেয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন যাত্রীরা। তবে যাতায়াতে করোনাভীতির কথা জানান যাত্রীরা। আর স্বাস্থ্যবিধি মানতে কঠোর অবস্থানের কথা জানান কর্তৃপক্ষ।

করোনা সংক্রমণ রোধে দীর্ঘ দুই মাসের বেশী সময় বন্ধ থাকার পর সরকারি সিদ্ধান্ত আবারো চলাচল শুরু করেছে ট্রেন। রাজধানীর কমলাপুর থেকে প্রথম দিনে সাতজোড়া ট্রেন যাতায়াত করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী হয়ে কমলাপুরে আসে বনলতা এক্সপ্রেস। ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় এবং করোনার সংক্রমণ রোধে ট্রেনের উদ্যোগে সন্তুষ্টির কথা জানান যাত্রীরা। অনলাইনে টিকিট পেতে ভোগান্তির কথাও জানান কেউ কেউ।

সংক্রমণ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার জন্য অনলাইনে টিকিট ব্যবস্থা-বলে জানান স্টেশন ম্যানেজার। বলেন, নির্দেশনা না মানলে যাত্রীদেরকে প্লাটফরমে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। ৩ জুন ঢাকা থেকে ১১ জোড়া ট্রেন চলাচল করবে বলে জানান আমিনুল হক। দু’মাসের বেশী সময় বন্ধ থাকার পর রাজধাসীর সদরঘাট থেকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২২ জেলার ৪৩ রুটে চলাচল শুরু করেছে লঞ্চ। প্রথম দিনে বেশকিছু লঞ্চ ছেড়ে গেলেও, ধীরে ধীরে সংখ্যা বাড়বে। লঞ্চ চলাচলের সুযোগ দেয়ায় স্বস্তি মিললেও যাতায়াতে করোনা ঝুঁকির বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় যাত্রীরা।

লঞ্চে যাত্রীর জন্য ছক করে দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। তবে সেখানে সামাজিক দূরত্ব যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি বলে দাবি করেন লঞ্চ মালিকরা। আর মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানান যাত্রীরা। লঞ্চযাত্রীদের করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে তিন স্তরের ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান ঘাটের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তা। বলেন, স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানা হবে।

 

প্রথম দিনে লঞ্চে যাত্রী সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন