সরকার নির্ধারিত দামে ট্যানারি মালিকরা চামড়া কিনছে না

0

সরকার নির্ধারিত দামে ট্যানারি মালিকরা চামড়া কিনছে না বলে অভিযোগ করেছেন সাতক্ষীরার ব্যবসায়ীরা। চামড়া পাচার রোধে আইনশৃখংলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এদিকে, নাটোরের চামড়া বাজারে চলছে লবণজাতকরণের কাজ। এখান থেকে তিন লাখ গরুর চামড়াসহ প্রায় ১৬ লাখ পিস ট্যানারিতে রপ্তানি করা হবে।

সাতক্ষীরায় গরুর প্রতি পিস চামড়া ২শ’ থেকে সাড়ে ৪শ’, ছাগলেরটা ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাড়া-মহল্লা ঘুরে সরকার নির্ধারিত দামে চামড়া কিনেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। কিন্তু, ট্যানারি মালিকদের কাছে কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছে বলে অভিযোগ করে তারা। চামড়ার আড়তে খেটে খাওয়া মানুষও ভুগছে আর্থিক সংকটে।

ট্যানারি মালিকরা গত আট বছরেও টাকা পরিশোধ করেনি বলে অভিযোগ স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ীদের।

ভারতে চামড়া পাচার ঠেকাতে জেলার সীমান্তজুড়ে তারা বিশেষ সতর্কাবস্থায় রয়েছে বলে জানায়, বিজিবি।

বিজিবির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ন স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান, পুলিশ সুপার।

বিদেশে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কিছু ট্যানারি মালিকের সিন্ডিকেটের কারনে চামড়ার সঠিক দাম পাচ্ছেনা বলে মনে করেন, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

এদিকে, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চামড়ার বাজার নাটোরের চকবৈদ্যনাথে লবনজাতকরণ শুরু হয়েছে। নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কের দুই ধারে প্রায় দেড় শতাধিক ছোট বড় আড়ৎ রয়েছে এখানে। ঈদ মৌসুমে ঢাকার ট্যানারিতে চাহিদার ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ চামড়া পাঠানো হয় এই বাজার থেকে।

বিক্রেতারা জানান, গ্রামে গ্রামে ঘুড়ে চামড়া কিনে আনলেও আড়তে দাম নেই। এর ফলে তাদের পরিবহন খরচটাও লোকসানের খাতায় জমা হচ্ছে। বেশির ভাগ আড়ৎদারই ছাগলের চামড়ার দামই বলছেনা।

ট্যানারি মালিকরা আগের পাওনা টাকা পরিশোধ না করায়, অনেকে ব্যবসায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে বলে জানায় ব্যবসায়ীরা।

সিন্ডিকেট ঠেকাতে তৎপর রয়েছে বলে জানান, জনপ্রতিনিধিরা।

এ বছর এখান থেকে গরুর তিন লাখ ও ছাগলের ১২ লাখ পিস চামড়া সংগ্রহের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন