১১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

শ্রম দপ্তরের অনুদানের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৬:০৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ১৬৫৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জালিয়াতি করে শ্রমিকদের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে শ্রম দপ্তরের নারায়ণগঞ্জের প্রধান সহকারীসহ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। গুটিকয়েক লোকের যোগসাজশে দুরারোগ্য ব্যাধি ও দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষা সহায়তা না দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। লুটপাটের অর্থ ভাগ-বাটোয়ারায় জড়িত স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় কার্যালয়।

দুরারোগ্য ব্যাধি ও দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিক এবং তাদের মেধাবি সন্তানদের শিক্ষা সহায়তায় ১৫ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হয় সরকার। এসব শ্রমজীবীদের জন্য বরাদ্দ লাখ লাখ টাকা ভূয়া ব্যক্তি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের জাল সংস্করণ তৈরী করে হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র। এসএ টেলিভিশনের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর এ তথ্য।

বিভাগীয় শ্রম দপ্তর, নারায়ণগঞ্জের প্রধান সহকারী হারুন উর রশিদের ভাড়া বাসায় তৈরি হয় জাল পরিচয় পত্র। এরপর সেই এনআইডি কার্ডের ফটোকপির উপরে প্রতারক চক্রের মোবাইল নাম্বার লিখে দিলেই টাকা তুলে আনা যায়।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে ২০১৯ সালে জনৈক শ্রমিকের মেয়ে শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন জানায়। তদন্ত ও কাগজপত্র যাচাই বাছাই শেষে তা চূড়ান্ত হলেও আবেদনকারী সহায়তার অর্থ পাননি। স্থানীয় সাংবাদিকদের সহায়তায় দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে জানা যায় শ্রমিকদের সহায়তার চেক হাতিয়ে নেয়ার চাঞ্চল্যকর কাহিনী।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিভাগীয় শ্রম দপ্তর, নারায়ণগঞ্জের প্রধান সহকারী হারুন অর রশিদ জানান, শ্রম অফিস থেকে অনুদান দেয়ার পর শ্রমিককে ১ হাজার টাকা দিয়ে চেক নিয়ে নেয়াই তাদের কাজ।

নারায়ণগঞ্জের প্রধান সহকারী হারুন অর রশিদ এ সিন্ডিকেটের সঙ্গে নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করেন। ঘটনা তদন্তে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানান সাধারন শ্রমিকসহ সংশ্লষ্টরা।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শ্রম দপ্তরের অনুদানের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:০৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩

জালিয়াতি করে শ্রমিকদের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে শ্রম দপ্তরের নারায়ণগঞ্জের প্রধান সহকারীসহ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। গুটিকয়েক লোকের যোগসাজশে দুরারোগ্য ব্যাধি ও দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষা সহায়তা না দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। লুটপাটের অর্থ ভাগ-বাটোয়ারায় জড়িত স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় কার্যালয়।

দুরারোগ্য ব্যাধি ও দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিক এবং তাদের মেধাবি সন্তানদের শিক্ষা সহায়তায় ১৫ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হয় সরকার। এসব শ্রমজীবীদের জন্য বরাদ্দ লাখ লাখ টাকা ভূয়া ব্যক্তি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের জাল সংস্করণ তৈরী করে হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র। এসএ টেলিভিশনের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর এ তথ্য।

বিভাগীয় শ্রম দপ্তর, নারায়ণগঞ্জের প্রধান সহকারী হারুন উর রশিদের ভাড়া বাসায় তৈরি হয় জাল পরিচয় পত্র। এরপর সেই এনআইডি কার্ডের ফটোকপির উপরে প্রতারক চক্রের মোবাইল নাম্বার লিখে দিলেই টাকা তুলে আনা যায়।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে ২০১৯ সালে জনৈক শ্রমিকের মেয়ে শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন জানায়। তদন্ত ও কাগজপত্র যাচাই বাছাই শেষে তা চূড়ান্ত হলেও আবেদনকারী সহায়তার অর্থ পাননি। স্থানীয় সাংবাদিকদের সহায়তায় দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে জানা যায় শ্রমিকদের সহায়তার চেক হাতিয়ে নেয়ার চাঞ্চল্যকর কাহিনী।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিভাগীয় শ্রম দপ্তর, নারায়ণগঞ্জের প্রধান সহকারী হারুন অর রশিদ জানান, শ্রম অফিস থেকে অনুদান দেয়ার পর শ্রমিককে ১ হাজার টাকা দিয়ে চেক নিয়ে নেয়াই তাদের কাজ।

নারায়ণগঞ্জের প্রধান সহকারী হারুন অর রশিদ এ সিন্ডিকেটের সঙ্গে নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করেন। ঘটনা তদন্তে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানান সাধারন শ্রমিকসহ সংশ্লষ্টরা।