শেষ মুহূর্তে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ছিলো ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়

0

এদিকে শেষ মুহূর্তে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ছিলো ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়। টার্মিনালে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। সকাল থেকে শত শত নারী-পুরুষ মালামাল ও পরিবার-পরিজন নিয়ে টার্মিনালে অপেক্ষা করেন। তবে যাত্রীদের চাপে কোনোভাবেই সামাজিক দূরত্ব মানা যাচ্ছে না লঞ্চের ভেতর এবং বাইরে। তবে সাধ্যমতো স্বাস্থ্যবিধি মানতে কাজ করছে বিআইডব্লিওটিএ।

প্রিয়জনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সকাল থেকেই করোনাকে উপেক্ষা করে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বাড়তে থাকে ঘরমুখো মানুষের ভিড়।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে রোজার ঈদে সদরঘাট ছিল একেবারেই ফাঁকা। এবার সেই দৃশ্য থেকে ফিরে এসেছে আগের আসল রূপে। সরকারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ পরিচালনার নির্দেশনা থাকলেও তা পুরোপুরি পালন করতে দেখা যায়নি লঞ্চ মালিক ও যাত্রীদের।

ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রীবহন করছে লঞ্চগুলো। লঞ্চের ছাদেও যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। লঞ্চের ডেকেও গাদাগাদি করে বসেছেন যাত্রীরা। ফলে সামাজিক দূরত্ব কোনোভাবেই বজায় থাকছে না। যাত্রীদের অভিযোগ, রাত থেকে অপেক্ষা করেও সকাল ৯টায় ছেড়ে যাওয়া কথা থাকলেও বেশি যাত্রী নেয়ার অপেক্ষায় রয়েছে লঞ্চ।

তবে ঝুকি নিয়ে কষ্ট করে বাড়ী যাওয়ার আনন্দের কথাও জানান অনেক যাত্রী।স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ চলাচল নিশ্চিত করার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে বলে জানান বিআইডব্লিউটিএর সিনিয়র পরিচালক আরিফ উদ্দিন।দপুর পর্যন্ত ৪৮ টি লঞ্চ দক্ষিনাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার উদ্দ্যেশে ছেড়ে গেলেও সারা দিনে সদরঘাট ছেড়ে যায় ১২৪ টি লঞ্চ।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন