লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকার ঘরবন্দী মানুষ

0

করোনাকালে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকার ঘরবন্দী মানুষ। তাদের অভিযোগ, ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৪ থেকে ৫ ঘন্টাও বিদ্যুৎ থাকে না। কখনো কখনো টানা দু’একদিনেও বিদ্যুতের দেখা মেলে না। তবে, বিষয়টি মানতে নারাজ কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি– চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ বিতরণ করা হচ্ছে।

শতভাগ বিদ্যুতায়ন ঘোষনা করা হলেও, নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চিত্র পাল্টায়নি খুব একটা। এখনো চলে লোড শেডিংয়ের কানামাছি খেলা। আকাশে মেঘের গর্জনে চলে যায় বিদ্যুৎ। এরপর, সকাল পেরিয়ে সন্ধ্যা হলেও জ্বলে না বৈদ্যুতিক বাতি। কাজের অজুহাতে সপ্তাহের ২/৩ দিন মাইকিং করে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ। এনিয়ে গ্রাহকের অভিযোগের অন্ত নেই।

বিদ্যুতের অভাবে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষি।

সাত লাখ মানুষের ভরসাস্থল সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও বিদ্যুতের অভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে রোগীরা।

কিন্তু, লোড শেডিংয়ের কথা মানতে নারাজ স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিস।

কোথাও সমস্যা দেখা দিলে, সেটা সমাধানের জন্য কিছু সময় সে এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকে বলে দাবি করেন, তিনি।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন