রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমারে ফেরত নেয়া হবে বলে সম্প্রতি মিয়ানমার আবারও চীনকে আশ্বস্ত করেছে

0

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্টেট কাউন্সিলর ওয়াং ই বলেছেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমারে ফেরত নেয়া হবে বলে সম্প্রতি মিয়ানমার আবারও চীনকে আশ্বস্ত করেছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে এ কথা বলেন। এদিকে, রোহিঙ্গা শরনার্থীদের সহায়তায় মোট ৫৯৭ মিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

নতুন করে ২০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১১ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার এবং ব্রিটেন ৬ কোটি ডলারের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা- ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এক ভার্চুয়াল সম্মেলন থেকে এ ঘোষণা আসে। বাংলাদেশের কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের সহায়তায় ২০২০ সালের জন্য ১০০ কোটি ডলারের তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্য ধরা হয়েছিল। তার অর্ধেক অর্থ না আসার প্রেক্ষাপটেই এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।যদিও আন্তর্জাতিক জোটের নেতারা মনে করে, রোহিঙ্গা সমস্যার মূল সমাধান প্রত্যাবাসনেই। তবে রাখাইনের চলমান সংঘাত প্রত্যাবাসন নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে বলেও উদ্বেগ জানান তারা। ২০১৭ সালের অগাস্টে মিয়ানমারের রাখাইনে একটি সেনা চৌকিতে হামলার জেরে রোহিঙ্গাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায় দেশটির সেনাবাহিনী। হত্যা, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় ৭ সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা। বিভিন্ন সময় পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয়ে আছে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন