রাজধানী ঢাকা অনেকটাই নিস্তব্ধ ভুতূড়ে নগরীতে পরিণত হয়েছে

0

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ১০ দিনের সাধারণ ছুটির প্রথম দিনে, রাজধানী ঢাকা অনেকটাই নিস্তব্ধ ভুতূড়ে নগরীতে পরিণত হয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া নগরবাসী ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বেশিরভাগ মানুষই হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকায়, জনশূণ্য নগরীর সব ব্যস্ত এলাকা। জরুরি সেবায় নিয়োজিত ও পণ্যবাহী দু’একটি গাড়ী চললেও রাস্তাঘাট একেবারেই ফাঁকা। বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা, নিস্তব্ধতা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে, মাঠে তৎপর সেনাবাহিনীসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তবে এমন পরিস্থিতিতে চরম বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।

মহান স্বাধীনতা দিবসেও নগরীতে থাকে প্রাণের ছোয়া। জাতীয় দিবস উদযাপনে ব্যস্ত থাকেন নগরবাসী। কিন্তু করোনার আগ্রাসন ঠেকাতে, সাধারণ ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি নগরবাসীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার আহ্বানে, ব্যস্ত নগরী রূপ নিয়েছে বিরানভূমিতে। তাইতো ব্যস্ত রাজপথ খাঁ খাঁ করছে।
১০ দিনের ছুটি ঘোষণার পর, করোনা ঝুঁকি নিয়েও ঈদের মতোই অনেকে গ্রামে চলে গেছেন। একারণে নগরী অনেকটাই ফাঁকা। যারা নগরীতে রয়েছেন, তারাও হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকায় নগরী জুড়েই সুনশান নীরবতা। জুরুরি সার্ভিস ছাড়া, সব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ। রাস্তায় নেই তেমন কোনো যানবাহনও।

করোনার ভীতিতে থমথমে চারপাশ। করোনাকে পরাস্ত করে জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে হলে, বাইরে নয়, ঘরে অবস্থান করাই জরুরি। এমন পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামাজিক দুরত্ব বাজায় রাখতে, রাজপথে তৎপর সেনা সদস্যরা।

নগরীর কোথাও তেমন জনসমাগম নেই। কেউ বেরোচ্ছে না ঘর থেকে। জরুরি প্রয়োজনে যারা ঘরের বাইরে আসছেন, তাদেরও মুখোমুখি হতে হচ্ছে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর।

কড়াকড়ির আওতামুক্ত কেবলই জরুরি সার্ভিস। বিশেষ প্রয়োজনে বের হওয়া সীমিত সংখ্যক যানবাহনকে আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

ছুটির ফাঁদে বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর আর নিন্ম আয়ের মানুষ।

করোনাকে পরাস্ত করতে আপন ঘরে সেলফ কোয়ারেন্টানেই থাকার পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি বলে মনে করেন সবাই।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন