রাজধানীতে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে চালের দাম

0

রাজধানীতে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে চালের দাম। কেজি প্রতি ১ থেকে ২ টাকা কমেছে সব ধরণের চালের দাম। ভিন্ন কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি না হলে বাজারে নতুন ধান-চালের আমদানির সঙ্গে চালের দাম আরো কমতে পারে বলে জানিয়েছেন, বাদামতলীর চালের আড়তদাররা। এদিকে, নজরদারির অভাবে আড়তদার, পাইকারী এবং খুচরা বিক্রেতাদের দামের ফারাক ৬ থেকে ৮ টাকা।

রাজধানীর বাবুবাজার-বাদামতলীর চালের আড়তগুলোতে মানভেদে প্রতিকেজি মিনিকেট ৪২-৪৫ টাকা, আটাশ ৩০-৩৩ টাকা, নাজিরশাইল ৫০-৫৩ টাকা, স্বর্ণা ২৮ টাকা, পাইজাম ২৮-২৯ টাকা, জিরা চাল ৩৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সব ধরণের চালের দাম গত এক সপ্তাহে কেজিতে ১-২ থেকে টাকা কমেছে বলে জানালেন আড়তদাররা।

এদিকে, আড়তদারদের কাছ থেকে পাইকারী বিক্রেতাদের হাত হয়ে মহল্লার খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত কেজি প্রতি চালের দাম বেড়ে যাচ্ছে ৬-৮ টাকা। এরমধ্যে, পরিবহন খরচসহ ঘাটতির দোহাই দিয়ে খুচরা বিক্রেতারা কেজিতে ৫-৬ টাকা বেশিতে বিক্রি করছেন তারা।

এদিকে, কৃষকের ন্যায্যমূল নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিকেজি ধান ২৬ টাকা এবং চাল ৩৬ টাকা মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। তবে, সরকার যথাসময়ে ধান-চাল সংগ্রহে ব্যর্থ হলে এই সুফল থেকে বঞ্চিত হবে কৃষক। একইসঙ্গে, সরকার নির্ধারিত দামে ধান-চাল সংগ্রহ যথাযথ হলে বাড়তে পারে চালের দাম। এমন সমীকরণের কথা জানালেন, আড়তদাররা।

তবে, সামগ্রিকভাবে বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় কঠোর নজরদারির বিকল্প নেই বলে জানান ক্রেতা-বিক্রেতারা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন