মাদ্রাসায় বলাৎকার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: ধর্মমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০১:১০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৬৭০ বার পড়া হয়েছে
মাদ্রাসায় শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন ও অশালীন কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। মাদ্রাসার মতো পবিত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ঘটনা দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন ধর্মমন্ত্রী।
মাদ্রাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে নির্দেশনা
সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসার মতো পবিত্র স্থানে যাতে এ ধরনের গর্হিত ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
তিনি জানান, এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে ইমামদের সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় ইমামদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব
এর আগে ইমাম সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ইমামদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ যাতে উসকানি দিয়ে দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
সমাজে ইমামদের গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি জুমার খুতবায় বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, মাদক, সন্ত্রাসসহ নানা ধরনের অপকর্মের বিরুদ্ধে ইমামদের মানুষকে সচেতন করতে হবে। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার ক্ষেত্রেও ইমামরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবি ইমামদের
কাউন্সিল অধিবেশনে ইমাম সমিতির নেতারা নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেন। এ সময় তাঁরা বেতন-ভাতা বৃদ্ধিসহ পেশাগত নানা সমস্যার সমাধানের দাবি জানান।
সম্মেলনে ইমামদের সামাজিক ভূমিকা, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সমাজ থেকে অপরাধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে তাঁদের করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেতনতার পাশাপাশি অভিযোগ গ্রহণ, যথাযথ তদন্ত এবং অপরাধের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ।




















