মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে রাজধানীর জনজীবন

0

মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে রাজধানীর জনজীবন। বাসা বাড়ি থেকে অফিস আদালত– সব জায়গায় মশা বেড়েছে অতি মাত্রায়। একদিকে করোনা আর অন্যদিকে ডেঙ্গু ও চিকনগুণিয়া রোগের শঙ্কায় দিন কাটছে নগরবাসীর। মাত্রাতিরিক্ত মশার উপদ্রবের জন্য সিটি কর্পোরেশনের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতাকে দায়ী করছেন তারা। তবে, ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দাবি, মশা নিধন কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।

মশা নিধন এতো সব কর্মকাণ্ডের পরও কিছুতে কমছে না মশার উপদ্রব। বাসা-বাড়ি কিংবা রাস্তাঘাট থেকে খোলা জায়গায় কোথাও নিস্তার নেই নগরবাসীর।  ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য কুনিপাড়া এলাকায় মশার ওষুধ স্প্রে করেন রুহুল আমিন। বিভিন্ন অলিগলি ও সংকীর্ণ সড়কে স্প্রে না করায় রুহুল আমিনের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়ে মশায় অতিষ্ঠ স্থানীয়রা। মিরপুরের পূর্ব ইব্রাহিমপুরে বস্তিবাসী মশার যন্ত্রণায় বাধ্য হচ্ছেন দিনের বেলাতেও কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে। তারা জানালেন নানা অভিযোগের কথা ।

এদিকে, রুপনগর আবাসিক এলাকার বদ্ধ জলাশয় যেন মশাদের অভয়ারণ্য। এলাকাবাসীর দাবি, মশা নিধন কার্যক্রম কেবল অভিজাত এলাকাতেই সীমাবদ্ধ। এ সব অব্যবস্থাপনা মানতে নারাজ স্থানীয় কাউন্সিলর তোফাজ্জল হোসেন টেনু। উত্তর সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দাবি, মশা কিছুটা বাড়লেও এ সময়ে ডেঙ্গু বা চিকনগুনিয়া রোগের আশংকা নেই। ফেব্রুয়ারী প্রথম সপ্তাহের মধ্যে মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করেন উত্তর সিটির এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন