ব্যস্ততা বেড়েছে অ্যাম্বুলেন্স চালক আর গোরখোদকদের

0

করোনায় থামছেই না মৃত্যুর মিছিল। রাজধানী ঢাকার একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড কবরস্থান- রায়েরবাজারে ফাঁকা জায়গাগুলো আর ফাঁকা নেই। ভরে গেছে নতুন নতুন কবরে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দাফন সংক্রান্ত কাজে প্রতিদিনই ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। আর মরদেহ দাফন ও সৎকারের সাথে জড়িতরা বলছেন, অনেকটা মানবিক হয়েছেন এখন স্বজনরা। মরদেহ গোসল করানোর পর অনেকেই নিয়ে যাচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে। তবে ঢাকার বাইরের কয়েকটি জেলায় বর্তমানে দাফনের চাপ বেশি বলে জানান অ্যাম্বুলেন্স চালকরা।

দেশে করণায় আক্রান্ত ও মৃত্যুতে প্রতিদিনই নতুন নতুন রেকর্ড তৈরী হচ্ছে।

হাসপাতালগুলোতে যেমন রোগীর চাপ বাড়ছে তেমনি কবরস্থানেও বেড়েছে মরদেহ দাফনের চাপ।

রাজধানীর একমাত্র করোনার ডেডিকেটেড কবরস্থান রায়ের বাজারের কবরস্থানের চিত্র এটি।

গত ক’মাস আগেও এই কবরস্থান ছিলো ফাঁকা। কিন্তু হঠাৎ করেই করোনায় মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় ফাঁকা জায়গা গুলো আর ফাঁকা নেই। ভরে গেছে নতুন নতুন কবরে।

একের পর এক মরদেহ বহনকারী গাড়ি আসে এই কবরস্থানে। তাদেরকে সমাহিত করেন কবরস্থান সংশ্লিষ্টরা।

এ পর্যন্ত এই কবরস্থানে করোনায় মারা যাওয়া প্রায় ১হাজার তিনশোরও বেশি লাশ দাফন করা হয়েছে। এই সংখ্যা বেড়েই চলছে প্রতিদিন।

মরদেহগুলো গোসল এবং দাফনের কাজের সাথে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন অনেকটা মানবিক হয়েছেন মৃতব্যক্তির স্বজনরা। ঢাকায় মারা গেলে গোসল করিয়ে দাফনের জন্য মরদেহ নিয়ে যাচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে।

ঢাকার বাইরে বেশ কয়েকটি জেলায়ও মরদেহ দাফনের চাপ বেড়েছে বলে জানালেন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের দাফন সেবা কার্যক্রমের পরিচালক

হঠাৎ করেই মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ায় দাফন ও সৎকার করতে দাফন ব্যাগসহ অন্যান্য জিনিসপত্র গুছিয়ে এভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন