বেকারি পণ্যে ক্ষতিকর পটাশিয়াম ব্রোমেট : দায় এড়ানোর চেষ্টা বিএসটিআইয়ের

0

বেকারি পণ্যে কাঁচামাল হিসেবে আটায় মেশানো হচ্ছে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান পটাশিয়াম ব্রোমেট। বিভিন্ন খাদ্যে ব্যবহার হচ্ছে ট্রান্সফ্যাট, কৃত্রিম রং ও সোডিয়াম সাইক্লোমেটসহ ক্ষতিকারক নানা রাসায়নিক দ্রব্য। এসব ভোক্তাদের বিভিন্ন জটিল রোগের দিকে ধাবিত করছে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। বিএসটিআই বলছে, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেও তারা নিজেদের সংশোধন করছে না।

পাউরুটি ফোলানের জন্য বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে ব্যবহার হয় একধরনের ছত্রাক । কিন্তু অনেক দেশে আটার খামিরকে দীর্ঘ সময় রাখার জন্য, বেকারি মালিকেরা ক্ষতিকারক পটাশিয়াম ব্রোমেট ব্যবহার করে। সম্প্রতি বাজার থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন নমুনায় এই ক্ষতিকর পদার্থের মাত্রাতিরিক্ত অস্তিত্ব পান গবেষকরা। এ ব্যাপারে সতর্কতা জারি করে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ।

হৃদরোগের অন্যতম কারণ হিসেবে ট্রান্সফ্যাটকে দায়ী করেন বিশেষজ্ঞরা। সাধারণত খাদ্যে ২ গ্রামের বেশি ট্রান্সফ্যাটা থাকার কথা নয়। তার পরও, চানাচুর, চিপস, জিলাপি, বিস্কুট ট্রান্সফ্যাটের ব্যবহার হচ্ছে কয়েকগুন বেশি।

গম থেকে তৈরি খাবারে গ্লুটেইন এর কারনে মানব দেহে সৃষ্টি করে জটিল রোগ। কৃষি গবেষনা কাউন্সিলের গবেষনা বলছে, দেশের বাজারে থাকা রাইস ব্র্যান অয়েলে অন্তত ২৫ শতাংশের মধ্যে ভেজাল রয়েছে।

৮৮ টি খাদ্যপণ্যের অনুমোদন দেয় বিএসটিআই। সংস্থাটি বলছে, বিভিন্ন অনিয়মের কারনে লাইসেন্স বাতিল বা শাস্তির আওতায় আনলেও পরবর্তীতে অনেকেই একই অপরাধে যুক্ত হচ্ছে।

ভেজাল খাদ্য গ্রহণের ফলে দেশে হেপাটাইটিস, লিভার ও ফুসফুস সংক্রমিত রোগীর সংখ্যাও দিন দিন বেড়েই চলছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন