শুক্রবার, জুলাই ১

আন্তর্জাতিক বাজারে হঠাৎ তুলার দাম গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন তেমন না বাড়ায় সহসাই তুলার দাম কমবে কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ কটন এসোসিয়েশন। এ অবস্থায় তুলার বর্ধিত দামের সাথে সুতা, কাপড় ও পোশাকের মূল্যের সমন্বয় করার প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানিয়েছে কটন এসোসিয়েশন। অপরদিকে দাম নিয়ন্ত্রণে সুতা আমদানীতে সম্পূরক শুল্ক সাময়িকভাবে হলেও তুলে নেয়ার দাবী জানিয়েছে টেরিটাওয়েল মিলস মালিকরা।

তুলা আমদানীকারকদের সংগঠন- বাংলাদেশ কটন এসোসিয়েশন, বিশ্ববাজারে তুলার অব্যাহত উচ্চমূল্যের প্রেক্ষিতে টেক্সটাইল ও স্পিনিং মিল মালিক এবং পোশাক রপ্তানীকারকদের সংগঠন- বিজিএমইএ ও বিকেএমইএকে নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে ঢাকায় এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এসময় কটন এসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ডিসেম্বরে তারা তুলার বর্ধিত মূল্য কার্যকর করবেন। তাই পোশাক ক্রেতাদের অর্ডার নিতে এখনই দাম সমন্বয়ের বিকল্প নেই।

বিশ্ববাজারে তুলার মূল্যের ওঠানামায় চাহিদা অনুযায়ী নিরবিচ্ছিন্নভাবে সুতা সরবরাহ করা নিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা জানান স্পিনিং মিল মালিকরা।

তুলার দাম নিয়ন্ত্রণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহবান জানান বিজএমইএ এবং বিকেএমইএ’র নেতারা।

দেশের বাজারে কম দামে সুতা আমদানীতে সম্পূরক শুল্ক কমানো জরুরী বলে মনে করেন টেরিটাওয়েল মিলস মালিকরা।

আগামী বছর তুলার উৎপাদন ৬ শতাংশ বাড়লেও ২০ শতাংশ ব্যবহার বাড়ায় দাম কমার সম্ভাবনা নেই বলে জানান আমদানিকারক।

Share.

Leave A Reply