বরিশালসহ দক্ষিনাঞ্চলের মানুষের ঢাকায় যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম নৌপথ

0

বরিশালসহ দক্ষিনাঞ্চলের মানুষের ঢাকায় যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম নৌপথ। এই নৌপথের গুরুত্বপূর্ন মেঘনার মিয়ারচর ও উলানিয়া-কালীগঞ্জ চ্যানেলে প্রায়ই যাত্রীবাহী নৌযান ঠেকে দুর্ঘটনায় পতিত হয় নৌযানগুলো। দ্রুত চ্যানেল দুটির নাব্যতা বৃদ্ধি করা না হলে দেশের প্রধান এই নৌপথে বড় বড় যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ হওয়ার আশংকা রয়েছে। এদিকে বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী।

১৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বরিশাল-ঢাকা নৌপথে চলাচল করে দেশের সর্বাধুনিক বড় বড় যাত্রীবাহী জাহাজ। দূরত্ব কম হওয়ায় জাহাজগুলো মেঘনার মিয়ারচর চ্যানেল দিয়ে চলাচল করে। কিন্তু ৩ কিলোমিটার দির্ঘ ওই চ্যানেলের বিভিন্ন স্থানে ডুবোচর জেগে ওঠায় বর্ষা মৌসুমেও যাত্রীবাহী জাহাজ চলাচল ঝূঁকিপূর্ন হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে সিমেন্ট বোঝাই কার্গো ডুবে মিয়ারচর চ্যানেলটি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। উলানিয়া-কালীগঞ্জ চ্যানেলটিরও নাব্যতা সংকট চরম আকার ধারন করেছে।

বিকল্প চ্যানেল ব্যবহারেও দুর্ভোগ বেড়েছে। সেখানে পানি না থাকায় হাজার হাজার যাত্রী নিয়ে জাহাজ চালাতে মারাত্মক ঝুকিতে পড়তে হচ্ছে, জানালেন জাহাজ মাষ্টার।  স্বস্তিদায়ক এবং নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে মিয়ারচর চ্যানেলের নাব্যতা সংকটের স্থায়ী সমাধানের সাথে উলানিয়া-কালীগঞ্জ চ্যানেল দিয়ে শট রুট বের করার দাবি জানালেন লঞ্চ মালিক সমিতির এ নেতা।

ডুবোচর ও নাব্যতা সংকট চিহ্নিত করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব ড্রেজিং করে ওই সকল সমস্যার সমাধান করা হবে। একই সাথে বরিশাল নদী বন্দরকে প্রানবন্ত করতে আধুনিকায়ন কাজ হাতে নেয়া হয়েছে, বললেন নৌ প্রতিমন্ত্রী। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে দেড়শতাধিক অত্যাধুনিক বিশাল এলাকায় যাত্রীবাহী জাহাজ চলাচল করে। যাত্রীদের চাহিদার ভিত্তিতে প্রতি বছর নতুন নতুন জাহাজ নামানো হচ্ছে। এর সাথে চলাচল করছে অসংখ্য পণ্যবাহী ও তেলবাহী কার্গো জাহাজ।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন