বন্ধের উপক্রম হয়ে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী সিরাজগঞ্জের তাঁত শিল্প

0

অস্বাভাবিক হারে সুতার দাম বাড়ায়, বন্ধের উপক্রম হয়ে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী সিরাজগঞ্জের তাঁত শিল্প। বাংলা নববর্ষ ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে তৈরি করা শাড়ি-লুঙ্গি-গামছা- থ্রিপিস বিক্রি নিয়ে সংশয়ে রয়েছে তাঁত মালিকরা। সিন্ডিকেটের হাত থেকে সুতার দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবি জানিয়েছে তারা।

বৈদেশিক মুদ্রা ও সম্মান অর্জন করায় সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পকে জেলার ব্র্যান্ডিং ঘোষনা করা হয়েছে। জেলায় প্রায় তিন লাখ পিটলুম, হ্যান্ডলুম ও পাওয়ারলুম রয়েছে। এসব লুমে বছরে প্রায় ২১ কোটি মিটার শাড়ি-লুঙ্গি-থান কাপড়-থ্রিপিস ও গামছা তৈরি হয়ে থাকে। সম্প্রতি সুতার অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি ও সংকটে, অনেক তাঁত শ্রমিক বেকার হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।

প্রতিবছর পহেলা বৈশাখ ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নানা রকমের কাপড় তৈরি করে স্থানীয় তাঁত মালিকরা। কিন্তু, করোনার আগে উৎপাদিত কাপড় বিক্রি না হওয়া এবং বর্তমানে সুতার দাম দফায় দফায় বাড়ায় হিমশিম খাচ্ছে তারা।

সুতার দাম বাড়ার পেছনে সিন্ডিকেটের কারসাজিকে দায়ি করছে সংশ্লিষ্টরা। এভাবে চলতে থাকলে শিল্পটি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে বলে মনে করেন তারা।

দেশের ৪০ ভাগ কাপড়ের চাহিদার বেশিরভাগই এখান থেকে মেটানোর পর রপ্তানিও করা হয়। সুতার দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের কঠোর নজরদারির দাবি জানান তাঁতীরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন