প্রস্তাবিত আখাউড়া স্থলবন্দর সড়কে নতুন ভবন ও স্থাপনা তৈরির হিড়িক

0

প্রস্তাবিত আখাউড়া স্থলবন্দর সড়কে নতুন নতুন ভবন ও স্থাপনা তৈরির হিড়িক পড়েছে। ইতিমধ্যে এ সড়কের জন্য ভূমি অধিগ্রহন ও মাটি পরীক্ষনসহ প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। তবে কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকল্পের শুরুতেই ডাটাবেজ, ভিডিও ফুটেজ ও মানচিত্র সংরক্ষণ করা হচ্ছে। সরকারি টাকা উদ্দেশ্যমূলকভাবে হাতিয়ে নেয়ার সুযোগ নেই। প্রকল্পে ২৬৫ একর জমি অধিগ্রহন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৬২ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ-ভারত চুক্তির আওতায় ফোরলেন রাস্তার কাজ পেয়েছে একটি ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ক নির্মানের জন্য ভূমি অধিগ্রহন ও মাটি পরীক্ষনসহ প্রাথমিক কাজ চলছে। এর মধ্যে দুটি ওভারপাস, ১০টি ফুটওভার ব্রীজ, ৩৬টি বক্স কালভার্ট ও ১৬টি সেতু রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে এর কার্যাদেশ দেয়া হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের বাস্তব কাজ শুরু হবে। এতে ব্যয় হবে তিন হাজার পাঁচ’শ কোটি টাকা। ২০ শতাংশ দেবে বাংলাদেশ সরকার। অবশিষ্ট অংশ ভারত সরকার দেবে।

প্রকল্পে ২৬৫ একর জমি অধিগ্রহন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৬২ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ও ভারতের লাইন অব ক্রিয়েট এর আওতায় দুটি প্যাকেজে এসব কাজ বাস্তবায়ন হবে। শিগগিরি প্রকল্পের কাজ পুরোদমে শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এদিকে, অতিরিক্ত মুনাফার আশায় এক শ্রেনির লোক ধরখার-আখাউড়া হাইওয়ের সম্ভাব্য স্থানে বাড়িঘর নির্মাণ করছে।

উদ্দেশ্যমূলকভাবে স্থাপনা নির্মান করা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।

প্রস্তাবিত জায়গার ভিডিও আগেই করা আছে। নুতন স্থাপনার ক্ষতিপূরণ কেউ পাবেন না বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

সরকারি টাকা অপচয় রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার প্রত্যাশা করে সাধারণ মানুষ।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন