প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শীতায় বন্ধ হয়েছে মিয়ানমারের ভয়াবহ গণহত্যা

0

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সবচেয়ে ভয়াবহ গণহত্যা সংকট তৈরী করেছিলো মিয়ানমার। যা ঠেকানো সম্ভব হয়েছিলো শুধু শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে। আর তাই মানবাধিকারের প্রশ্নে বাংলাদেশ আজ এক অনূকরণীয় দৃষ্টান্ত। এমন পর্যবেক্ষণ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের। দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ এবং মানবাধিকার শীর্ষক সেমিনারে তিনি এই পর্যবেক্ষন তুলে ধরেন। পাশাপাশি তিনি আরো বলেন বিশ্বের যেসব নেতারা মুখে-মুখে মানবাধিকারের কথা বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে সেসব নেতাদের মুখে চুনকালি মেখেছেন শেখ হাসিনা।

১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত চলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। মানব সভ্যতার ভয়াবহ বিপর্যয়খ্যাত সেই যুদ্ধে মারা যান ৬০ লাখ ইহুদিসহ ৫ কোটিরও বেশি মানুষ।

৭২ বছর পর মিয়ানমারের রাখাইনে দেখা দেয় সেই মানবিক বিপর্যয়, যার প্রধান শিকার অসহায় রোহিঙ্গারা। তবে এবার কোন প্রকার কালক্ষেপন না করেই নির্যাতীত সেই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। বর্তমানে বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে মানবিক আশ্রয় পাওয়া এই মানুষগুলোর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১১ লাখ।

এমন বাস্তবতায় মানবাধিকার এবং বাংলাদেশ শীর্ষক এই সেমিনার। এসময় বিশ্ব মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত বলে মত দেন বক্তারা।

মিয়ানমারের বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর তত্ত্বাবধানে রাখাইনে নিরাপদ অঞ্চল প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ।

রোহিঙ্গা সমাস্যার সমাধান না হলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে থাকবে বলেও মনে করেন তিনি।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন