প্রতিষ্ঠার ৬৫ বছর পর পুর্ণাঙ্গ রূপ পেতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা

0

স্যুয়ারেজ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠার ৬৫ বছর পর পুর্ণাঙ্গ রূপ পেতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। ২০ হাজার কোটি টাকার ৬ ভাগে বিভক্ত মেগা এই প্রকল্পটির প্রথম ভাগের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠানও নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করার আশা ওয়াসা কর্তৃপক্ষের। আর নগরবিদরা বলছেন, জনগনের ভোগান্তী সহনশীল রেখে প্রকল্প বাস্তবায়ন করাই হবে প্রধান চ্যালেঞ্জ।

যে কোন সভ্য শহরে স্যুয়ারেজ সিস্টেম বাধ্যতামুলক হলেও দেশের ২য় বৃহত্তম বন্দর নগরী চট্টগ্রামে স্যুয়ারেজ সিস্টেম হয়নি এখনো। ফলে বাসা বাড়ির পয়বর্জ্য সেফটিক ট্যাংক থেকে নালা ও খাল হয়ে পড়ছে কর্ণফূলী ও হালদায়। প্রতিদিন ভয়াবহভাবে দুষিত হচ্ছে চট্টগ্রামের একমাত্র মিঠা পানির এই উৎস দুটি।

ভয়াবহ এই পরিবেশ বিপর্যয় থেকে বাণিজ্যিক রাজধানীকে রক্ষায় এগিয়ে এসেছে সরকার। গেল সপ্তায় মালয়য়েশিয়া ভিত্তিক একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হলো।

কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন প্রকল্পের নামে সড়ক মহাসড়কে বেপোরোয়া খোড়াখুড়িতে ওয়াসার ওপর বিরক্ত নগরবাসী। এই বাস্তবতায় নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে জনদুর্ভোগ সহনশীল রাখতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ নগরবিদদের।

প্রকল্প পরিচালকের দাবি জনদুর্ভোগের বিষয়টি মাথায় রেখেই পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্পের ড্রয়িং-ডিজাইন করার তাগিদ দেয়া হয়েছে ।

পুরো নগরীকে স্যুয়ারেজের আওতায় আনতে সময় লাগবে ২০ বছর। তবে প্রথম ভাগে ১১টি ওয়ার্ডের ৩৪ বর্গকিলোমিটার এলাকার কাজ শেষ হবে ২০২৩ সালের আগেই।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন