পানি কমলেও পরিবারগুলোর দুর্ভোগ কমেনি বানভাসী পরিবারগুলোর

0

কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে বন্যার পানি কমলেও দুর্ভোগ কমেনি বানভাসী পরিবারগুলোর।

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমে বর্তমানে বিপদসীমার নীচে নামলেও দুর্ভোগ কমেনি বানভাসী পরিবারগুলোর। এ অবস্থায় সবচে’ বেশি বিপাকে পড়েছে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে পানিবন্দি থাকা হতদরিদ্র পরিবারগুলো। একদিকে কোন কাজ জুটছে না, অন্যদিকে ঘরে খাবারও নেই। মিলছে না ত্রাণ সহায়তাও। বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ ঘর-বাড়িতে ফিরতে না পেরে এখনো পাকা সড়ক, বাঁধ ও স্কুলসহ বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছেন তারা। ওদিকে, ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তাঘাটে দুর্ভোগ বেড়েছে চলাচলে। গবাদি পশুর খাদ্য সংকট নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা।

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীসহ অভ্যন্তরীণ সব নদনদীর পানি আরও কমেছে। তবে পানি কমা অব্যাহত থাকলেও বেশিরভাগ বানভাসী পরিবার এখনো ঘরে ফিরতে পারেনি। এ অবস্থায় গবাদি পশু নিয়ে বাঁধ ও উচু স্থানে আশ্রয় নিয়ে থাকায় এখনো স্বাভাবিক হতে পারছে না তাদের জীবনযাপন। এদিকে পানি কমতে থাকলেও অনেকদিন পানিবন্দী থাকা মানুষদের মাঝে দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ। পাশাপাশি চলছে খাদ্য সংকট। টাঙ্গাইলে যমুনাসহ স্থানীয় নদীগুলিতে কমতে শুরু করেছে পানি। এতে করে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
পানি কমার সাথে সাথে নদীভাঙ্গন আরো তীব্র হয়েছে। ইতিমধ্যে ভূঞাপুর উপজেলায় এক হাজার ১৮৯টি ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। অন্যদিকে, বন্যাদুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট। নষ্ট হয়ে গেছে উঠতি ফসলের ক্ষেত।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন