পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে হয়েছে বিশাল এক জশনে জুলুস

0

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে হয়েছে বিশাল এক জশনে জুলুস। পাকিস্তান থেকে আসা সৈয়দ তাহের শাহের নেতৃত্বে এই জুলুসে লাখো মানুষ অংশ নেন। আয়োজকরা একে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় জুলুস’ দাবি করে, রাষ্ট্রিয় স্বীকৃতির আহ্বান জানান। জুলুসে অংশ নেয়া ধর্মপ্রাণ মানুষেরা বলেন, বিশ্বনবীর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে তার জন্মদিনে ঈদের মতোই খুশি উদযাপন করছেন তারা। ১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রালীটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পদক্ষিণ করে। এ সময় হামদ, নাত গেয়ে উদযাপন করা হয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসটিকে। অনেকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের অংশ করারও দাবি জানান বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই জলুসকে। রেলিটির শুরুতে আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের অফিসে সংবাদ সম্মেলনে দিনটির গুরুত্ব ও দাবি দাওয়া তুলে ধরে আয়োজকরা।

স্বচ্ছ কাঁচ ঘেরা বিশেষ যানবাহনে চেপে সকাল সাড়ে ন’টায় ষোলশহর আঞ্জুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের মাদ্রাসা থেকে বের হন আল্লামা তাহের শাহ। এসময় নানান ধর্মীয় স্লোগানে আশপাশ মুখরিত করে রাখেন ধর্মপ্রাণ মানুষেরা। এর আগেই চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আশা নবীপাগল লাখো মানুষ অবস্থান নেন বন্দর নগরীর প্রধান প্রধান সড়কে। বলেন মহানবীর জন্মদিনে খুশি উদযাপন করতেই এসেছেন তারা।

১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রালীটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পদক্ষিণ করে। এ সময় হামদ, নাত গেয়ে উদযাপন করা হয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসটিকে। অনেকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের অংশ করারও দাবি জানান বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই জলুসকে। রেলিটির শুরুতে আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের অফিসে সংবাদ সম্মেলনে দিনটির গুরুত্ব ও দাবি দাওয়া তুলে ধরে আয়োজকরা।

আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর এই জসনে জুলুসের আয়োজন করছে। ধীরে ধীরে তা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। রেলিটি দেখার জন্য রাস্তার দু’পাশে ভবনের ছাদে ও ফ্লাইওভারে অবস্থান নেন হাজার হাজার মানুষ। ফুল ও পানি ছিটিয়ে তাদের শুভেচ্ছা জানান তারা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন