পদত্যাগ: ‘গুজব’ বললেন ইশরাক, সাধুবাদ সারজিসের
- আপডেট সময় : ১২:৫১:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৭৬ বার পড়া হয়েছে
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তবে বিষয়টিকে ‘গুজব’ বলছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ইশরাক হোসেনের প্রেস কর্মকর্তা এ ধরনের খবরকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই সাহসী সিদ্ধান্ত সাধুবাদ যোগ্য। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল এখান থেকে শিক্ষা নিবে সেই প্রত্যাশা করি।’
অস্ত্র হাতে অভিযানে ইশরাক, শুরু সমালোচনা
এর আগে শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সময় তার হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। তার সঙ্গে থাকা কয়েকজনের হাতেও অস্ত্র ছিল বলে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। একজন প্রতিমন্ত্রীর এ ধরনের অভিযানে অস্ত্র হাতে অংশ নেওয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে।
পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর
ঘটনার পর রোববার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইশরাক হোসেনকে ডেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন বলে বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ কয়েকটি গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়।
এই খবর প্রকাশের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। সারজিস আলমের ফেসবুক পোস্টেও প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থনের বিষয়টি উঠে আসে।
তবে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল কোনো ব্যক্তির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পদত্যাগের খবরকে ‘অসত্য’ বললেন ইশরাকের প্রেস কর্মকর্তা
অন্যদিকে, ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের খবর অস্বীকার করেছেন তার প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা। গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কিংবা তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার বিষয়ে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
ফলে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর এবং তার প্রেস কর্মকর্তার অস্বীকার—এই দুই বিপরীত বক্তব্যকে ঘিরে তৈরি হয়েছে আলোচনা। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে।




















