নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে নতুন ওঠা গ্রীষ্মকালিন সবজির দাম

0

বাজারে শীতকালিন সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে নতুন ওঠা গ্রীষ্মকালিন সবজির দাম। ঢেরস, উস্তা,পটল ও ঝিঙ্গার দাম চড়া। চালের দাম আগের মত ওঠা-নামা করছে। দাম বেধে দেয়ার পরেও খোলাবাজরে তেল বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে। গরু, খাশির মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের দরেই, বেড়েছে সব ধরণের মুরগীর দাম। দেশী মাছের বাজার চড়া। সরবরাহ কম থাকায় বেড়েছে ইলিশের দাম। নিত্যপণ্যের এমন বাজার নিয়ে স্বস্তিতে নেই সাধারণ মানুষ।

শুক্রবারে রাজধানীতে নিত্যপণ্যের বাজারে আসেন ক্রেতারা।  শীত মৌসুমের সবজির বাজার স্থিতিশীল থাকলেও গ্রীষ্মকালিন সবজির দাম বাড়তি রয়েছে। ঝিঙ্গা,ঢেড়স ও পটলের দাম ৭০ থেকে ১২০টাকা। আর শীতকালিন সবজি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে তেলের দাম নিয়ে বিড়ম্ভনায় পড়েছে বিক্রেতারা। ৫ লিটারের গ্যালোন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কমে। খোলা বাজারে তেলের দাম ১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বিক্রি হচ্ছে বেশী দামে। এই নিয়ে অস্বস্তির কথা জানালেন ক্রেতা ও বিক্রেতোরা।

গেল সপ্তাহের মতো সব ধরণের চালে কেজিপ্রতি ৩/৪ টাকা বাড়তি। মিনিকেট ৬২ টাকা থেকে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়, নাজিরশাইল ৬৬ থেকে ৭০টাকা, মোটা ৪৫ থেকে বেড়ে ৪৮ এবং আটাস চাল ৪৯ টাকা থেকে বেড়ে ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গরুর মাংসের দাম ৫৫০ টাকা আর খাসির মাংস ৯শ টাকায় স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে সব ধরণের মুরগীর দাম। ব্রয়লার কেজি প্রতি ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৫০টাকা, লাল মুরগী ২০ টাকা বেড়ে ২শ টাকা আর কক মুরগী ৫০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩শ টাকা কেজিতে। ডজন প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা কমেছে ডিমের দাম। জিরা ছাড়া সবরকম মশলার বাজার আগের দামেই রয়েছে।

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ে অস্বস্তিতে দিন কাটছে সাধারণ মানুষের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন