০৩:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রথম দিনেই সাজেকে পর্যটকদের ঢল

রাঙামাটি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৫০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালি। আর খুলে দেওয়ার প্রথম দিনেই সেখানে পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে পাঁচ শতাধিক পর্যটক সাজেকে ভ্রমণে আসেন। এতে দীর্ঘদিন স্থবির হয়ে থাকা পর্যটন খাতে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে। পর্যটকদের আগমনে স্বস্তি ফিরেছে রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্তোরাঁসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে সাজেকে পর্যটকদের সংখ্যা আরও বাড়বে। এতে সাম্প্রতিক সময়ে পর্যটক না থাকায় যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তার একটি বড় অংশ পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

প্রথম দিনেই পাঁচ শতাধিক পর্যটক

সাজেক জিপগাড়ির লাইনম্যান ইয়াছিন আরাফাত জানান, শুক্রবার সকালে খাগড়াছড়ি থেকে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫টি জিপ, মাহেন্দ্র ও মোটরসাইকেলে করে পর্যটকেরা সাজেকে আসেন। এসব যানবাহনে পাঁচ শতাধিক পর্যটক ছিলেন।

তিনি বলেন, সকালে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পর্যটক সাজেকে এসেছেন। বিকেলের স্কর্টেও আরও পর্যটক আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন পর্যটক চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকের পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা দেখা দিয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর প্রথম দিনেই পর্যটকদের এমন উপস্থিতি স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

পূজার ছুটিতে বাড়তে পারে পর্যটকের সংখ্যা

সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ন দেব বর্মন জানান, দীর্ঘদিন পর্যটক না থাকায় পাহাড়ের পর্যটন খাত ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে। তবে আসন্ন পূজার ছুটিতে পর্যাপ্ত পর্যটক এলে সাম্প্রতিক ক্ষতি অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, পূজার ছুটিকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সাজেকের অধিকাংশ রিসোর্ট ও কটেজে কক্ষ বুকিং শুরু হয়েছে। এতে পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

পর্যটকদের আগমন অব্যাহত থাকলে রিসোর্ট ও কটেজের পাশাপাশি স্থানীয় পরিবহন, খাবারের দোকান এবং অন্যান্য পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসাও ঘুরে দাঁড়াতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিরাপত্তার কারণে বন্ধ ছিল পর্যটনকেন্দ্র

নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রশাসন সাময়িকভাবে সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ বন্ধ রেখেছিল। এর ফলে পর্যটকনির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দীর্ঘদিন আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

সম্প্রতি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর শুক্রবার থেকে পর্যটকদের জন্য আবারও উন্মুক্ত হয় সাজেক ভ্যালি।

পাহাড়, মেঘ আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত সাজেক দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। পর্যটকদের আনাগোনা বাড়লে এ অঞ্চলের পর্যটনশিল্পে গতি ফিরবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রথম দিনেই সাজেকে পর্যটকদের ঢল

আপডেট সময় : ০১:৩৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালি। আর খুলে দেওয়ার প্রথম দিনেই সেখানে পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে পাঁচ শতাধিক পর্যটক সাজেকে ভ্রমণে আসেন। এতে দীর্ঘদিন স্থবির হয়ে থাকা পর্যটন খাতে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে। পর্যটকদের আগমনে স্বস্তি ফিরেছে রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্তোরাঁসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে সাজেকে পর্যটকদের সংখ্যা আরও বাড়বে। এতে সাম্প্রতিক সময়ে পর্যটক না থাকায় যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তার একটি বড় অংশ পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

প্রথম দিনেই পাঁচ শতাধিক পর্যটক

সাজেক জিপগাড়ির লাইনম্যান ইয়াছিন আরাফাত জানান, শুক্রবার সকালে খাগড়াছড়ি থেকে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫টি জিপ, মাহেন্দ্র ও মোটরসাইকেলে করে পর্যটকেরা সাজেকে আসেন। এসব যানবাহনে পাঁচ শতাধিক পর্যটক ছিলেন।

তিনি বলেন, সকালে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পর্যটক সাজেকে এসেছেন। বিকেলের স্কর্টেও আরও পর্যটক আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন পর্যটক চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকের পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা দেখা দিয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর প্রথম দিনেই পর্যটকদের এমন উপস্থিতি স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

পূজার ছুটিতে বাড়তে পারে পর্যটকের সংখ্যা

সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ন দেব বর্মন জানান, দীর্ঘদিন পর্যটক না থাকায় পাহাড়ের পর্যটন খাত ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে। তবে আসন্ন পূজার ছুটিতে পর্যাপ্ত পর্যটক এলে সাম্প্রতিক ক্ষতি অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, পূজার ছুটিকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সাজেকের অধিকাংশ রিসোর্ট ও কটেজে কক্ষ বুকিং শুরু হয়েছে। এতে পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

পর্যটকদের আগমন অব্যাহত থাকলে রিসোর্ট ও কটেজের পাশাপাশি স্থানীয় পরিবহন, খাবারের দোকান এবং অন্যান্য পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসাও ঘুরে দাঁড়াতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিরাপত্তার কারণে বন্ধ ছিল পর্যটনকেন্দ্র

নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রশাসন সাময়িকভাবে সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ বন্ধ রেখেছিল। এর ফলে পর্যটকনির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দীর্ঘদিন আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

সম্প্রতি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর শুক্রবার থেকে পর্যটকদের জন্য আবারও উন্মুক্ত হয় সাজেক ভ্যালি।

পাহাড়, মেঘ আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত সাজেক দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। পর্যটকদের আনাগোনা বাড়লে এ অঞ্চলের পর্যটনশিল্পে গতি ফিরবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ীরা।