নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন খুলনার বটিয়াঘাটার কৃষকরা

0

উপকুলীয় অঞ্চলের বিলুপ্ত ১০৪ প্রজাতির স্থানীয় জাতের ধানের বীজ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ করে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন খুলনার বটিয়াঘাটার কৃষকরা। এতে বহুজাতিক কোম্পানীর ওপর বিজের নির্ভরশীলতা কমার পাশাপাশি স্থানীয় ধানের আবাদ বেড়েছে। আর এ অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।

অধিক ফলনের আশায় আর বহুজাতিক কোম্পানীর প্রচারনায় দীর্ঘ বছর ধরে দেশে হাউব্রিড ধানের চাষাবাদ সম্প্রসারণ হয়েছে। ফলে চাষাবাদ ও সংরক্ষণের অভাবে উপকুলীয় এলাকা থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে স্থানীয় জাতের ধান। কিন্তু উচ্চফলশীল ধানের উৎপাদন মুল্যের তুলনায় বাজার মূল্য কম হওয়ায় কৃষকরা আগ্রহী হচ্ছেন স্থানীয় জাতের ধান আবাদে।

কৃষকরা বলছেন, স্থানীয় জাতের ধান চাষে সার ও কীটনাশক লাগে অল্প। ফলে, উৎপাদন ব্যয় ও পোকার আক্রমণ কম হয়। এই ধান চাষে অক্ষুন্ন থাকে মাটির উর্বরতা।

স্থানীয় ধানের বিলুপ্তি রোধে বিগত নয় বছরে উপকুলীয় অঞ্চলের ১০৪ প্রজাতির বীজের সংগ্রহশালা গড়ে তুলেছে বটিয়াঘাটা উপজেলার স্থানীয় সংস্থা ‘লোকজ’। উকপুলীয় আবহাওয়া উপযোগী ১০টি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বিলুপ্ত প্রায় স্থানীয় জাতের ধান চাষের পাশাপাশি উপকূলীয় উপযোগী উচ্চ ফলনশীল নতুন ধান শিগগির আবাদ শুরু হবে-এমনটাই প্রত্যাশা কৃষকদের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন