নানা কারণে পাবনা সুগার মিলটি ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে

0

উৎপাদিত চিনি বিক্রি না হওয়া এবং সময়মত আখচাষী ও শ্রমিকদের বেতন না দেয়াসহ নানা কারণে পাবনা সুগার মিলটি ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে এসে দাড়িয়েছে। বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে নানা কর্মসূচি পালন করেও কোন ফল আসেনি।করেনাকালীন এই সময়ে কয়েক মাসের বেতন ও মৌসুমের আখের দাম না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন আখচাষী ও শ্রমিক কর্মচারীরা।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার কালিকাপুরে ৬০ একর জমির ওপর ১৯৯২ সালে মিলটির কাজ আরম্ব হয়। ১৫ হাজার মেট্রিক টন চিনি উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন মিলটি স্থাপন শেষে ১৯৯৪-৯৫ অর্থবছরে তৎকালীন সরকার মিলটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। মাড়াই মৌসুম শুরু পর থেকে যান্ত্রিক ত্রুটি, আখ সংকটসহ নানা কারণে মিলটিকে গুনতে হয়েছে লোকসান। গেল মার্চ মাস থেকে বন্ধ আছে শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন। মৌসুম শেষ হলেও টাকা পায়নি আখ চাষীরা।

শ্রমিকদের অভিযোগ, বে-সরকারী চিনি কলগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে সরকারী মালিকানাধীন চিনিকলগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে । তাই এ শিল্পকে বাঁচাতে হলে সকল চিনিকলগুলোকে একই নিয়মের আওতায় আনার দাবী তাদের।

আখের দাম এবং বেতন বকেয়া আছে স্বীকার করে মিলটির র্শীর্ষ এই কর্মকর্তা জানালেন উৎপাদিত চিনি বিক্রি করা গেলে আখের দাম এবং শ্রমিকদের বেতনাদী পরিশোধ করা সম্ভব।

অচিরেই শ্রমিক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন ও আখচাষীরা তাদের পাওনাদী পাবে-এমটাই আশা সংশ্লিষ্টদের ।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন