দেশ ও স্বাধীন জাতি গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে ফজিলাতুন্নেসা মুজিব সর্বোচ্চ ভুমিকা রেখেছেন

0

জাতির পিতা স্বাধীন দেশ দিয়েছেন। কিন্তু, এই দেশ ও স্বাধীন জাতি গড়ে তোলার জন্য বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে সর্বোচ্চ ভুমিকা রেখেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। বঙ্গমাতার জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের প্রতিটি মেয়েকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী, মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে একথা বলেন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার জ্যেষ্ঠসন্তান শেখ হাসিনা।

‘বঙ্গমাতা ত্যাগ ও সুন্দরের সাহসী প্রতীক’ এ প্রতিপাদ্য নিয়ে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী।

জেষ্ঠ্যকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, নিরহংকার, মিতব্যয়ীই শুধু ছিলেন না, রাজনৈতিক সংকটে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বঙ্গমাতা। ৬ দফা থেকে ৬৯ এর অভুত্থান, ৭০ এর নির্বাচন থেকে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ , সব আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর যোগ্য সহযোদ্ধা, দক্ষ রাজনীতিবিদ ও সক্রিয় সংগঠক হিসেবে ভুমিকা রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গমাতা সব হারিয়ে যাদেরকে আপন করে নিয়েছিলেন, তারাই নির্মমভাবে হত্যা করেছিল তাঁকে। কিন্তু বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ছিলেন নির্ভিক।

স্বাধীনতার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন বেগম ফজিলাতুন নেসা। তার জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার জন্য দেশের নারীদের প্রতি আহ্বান জানান সরকার প্রধান।  বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীতে সব জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পাওয়া সুবিধাভোগীদের তালিকা অনুযায়ী ৬৪ জেলায় তিন হাজার দুইশ সেলাই মেশিন ও এক হাজার তিনশ জন অসহায় নারীদের মধ্যে দুই হাজার টাকা করে মোট ছাব্বিশ লাখ টাকা বিতরন করা হয়। একই সাথে গোপালগঞ্জ জেলার দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে একশ ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন