দেশে করোনা রোগীদের ওপর ফ্যাভিপিরাভি’র ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে সাফল্য

0

দেশে করোনা রোগীদের ওপর ফ্যাভিপিরাভি’র ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে সাফল্য পাওয়ার দাবি করেছে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন। ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোসাইটি অব মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ এবং শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকরা জানান, তিনটি কোভিড হাসপাতালে অর্ধশত রোগীর ওপর ট্রায়াল চালিয়ে তারা এর কার্যকারিতা পেয়েছেন। জাপানী কোম্পানীর অনুমোদন নিয়ে স্থানীয়ভাবে বীকন ফার্মার তৈরি ফ্যাভিপিরা-টু হান্ড্রেড ওষুধটি করোনার মৃদু ও মাঝারী সংক্রমণের রোগীদের ক্ষেত্রে সর্বাধিক কার্যকর বলে জানান তারা।

করোনাভাইরাসের এখন পর্যন্ত নিশ্চিত কোনো ওষুধ মেলেনি। তবে থেমে নেই চিকিৎসক ও গবেষকরা। ধনী-গরিব সব দেশই হন্যে হয়ে করোনার ওষুধ খুঁজছে। নিরন্তর গবেষণা হচ্ছে কার্যকর ওষুধ তৈরিতে।

এ থেকে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোও। এরই মধ্যে বীকন ফার্মার ফ্যাভিপিরাভির ট্যাবলেটের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পন্ন করে সাফল্য পাওয়ার দাবি বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের।

সবার করোনা নিরাময়ে শতভাগ কার্যকর ওষুধ আবিস্কার না হওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শে ফ্যাভিপিরা গ্রহণ করা যেতে পারে জানিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক বললেন, সিএমএইচে এটি সবচে’ বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল- বিএমআরসির চেয়ারম্যান জানান, দেশে যতগুলো ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়েছে তার মধ্যে ফেভিপিরাভিরই বৈজ্ঞানিক নিয়ম মেনে করা হয়েছে।

প্রতিটি ৪শ’ টাকা মূল্যের এই ট্যাবলেট একজন করোনা রোগীকে ৭ থেকে ১০ দিন সেবনের প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন