দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বন্যা পানি আরো কমেছে

0

দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বন্যা পানি আরো কমেছে। বিভিন্ন নদ-নদীর পানি কমে গেছে। কিছু-কিছু এলাকায় নতুন করে দেখা দিয়েছে নদী-ভাঙ্গন।অন্যদিকে এসব এলাকায় মানুষের হাত কাজ না থাকায় খাদ্য সংকটে পড়েছেন তারা।

কুড়িগ্রামে বন্যার পানি নেমে গেলেও হাতে কোন কাজ ও ঘরে খাবার না থাকায় খাদ্য সংকটে পড়েছেন দুর্গতরা। গবাদি পশুর খাদ্য সংকট তাদের দুর্ভোগ আরো বাড়িয়েছে। চরাঞ্চলগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। বন্যা কবলিত এলাকার রাস্তা-ঘাট ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে মানুষজনের। এখনও ক্ষতিগ্রস্থ ঘর-বাড়িতে ফিরতে পারেননি অনেক বানভাসী মানুষ।

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী পয়েন্টে ধনু নদীর পানি এখনো বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে উপজেলার অনেক মানুষ এখনও পানিবন্দি রয়েছে।

মুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে আরো কমেছে ফলে জেলারে বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা নদীর পানি শহররক্ষা বাঁধের হার্ডপয়েন্টে আরও ৯ সেন্টিমিটার কমে পর্যন্ত বিপদসীমার ১২ এবং একই সময় কাজিপুর পয়েন্টেও আরও ১৩ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ২৯ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

মাদারীপুরের শিবচরে পদ্মা ও আড়িয়াল খা নদে তীব্র স্রোতে ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কয়েক শো ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।

মানিকগঞ্জের যমুনা নদীর পানি শিবালয়ের আরিচা পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টায় ৫ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকার পূর্ব গোপালনগর ও চর কাশিপুর এলাকাড ধলেশ্বরী নদীর পানি বেড়ে প্লাবিত হয়ে দু’টি একতলা বাড়ি ধসে পড়েছে। সকাল থেকেই ফতুল্লার কাশিপুর ও বক্তাবলী ইউনিয়নে ধলেশ্বরী নদীর পানি বাড়ার কারণে বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জের পদ্মা, মেঘনা ও ধলেশ্বরী নদীতে গত কয়েক দিন ধরে পানি না বাড়লেও দুর্ভোগে কমেনি জেলার পানিবিন্দি মানুষের।এখনো এসব এলাকার চারদিকেই থই থই পানি। বন্যার পানিতে ভাসছে লৌহজং, শ্রীনগর,টঙ্গীবাড়ী,সিরাজদিখান ও গজারিয়া উপজেলার ৩৯টি ইউনিয়নের ২৬৫টি গ্রাম।পানিতে তলিয়ে গেছে অসংখ্য মাছের ঘের।

এদিকে,পাবনায় গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমে নগরবাড়ি পয়েন্টে বিপদ সীমার ৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর পদ্মা নদীর পানি পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রীজ পয়েন্টে বিপদ সীমার ৯৬ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কিছু এলাকা থেকে পানি নেমে গেলেও বেড়েছে দুর্ভোগ

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন