দিন দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে যাওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকায় দুশ্চিন্তায় স্বাস্থ্য বিভাগ

0

রাজশাহীতে দিন দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে যাওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকায় দুশ্চিন্তায় স্বাস্থ্য বিভাগ। তাদের আশঙ্কা-করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। তাই এরইমধ্যে দুটি প্রাইভেট হাসপাতাল পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে বিপর্যয় ঠেকাতে আগেভাগেই রাজশাহীকে লকডাউনের তাগিদ দেয়া হয়েছে। আর জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি লকডাউনের দিকে গেলে অন্তত তিন মাস কোনো খাদ্য সংকট হবে না।

করোনা সতর্কতায় সব ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ। এরপরও এভাবেই বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে মাস্ক বিতরণের শোডাউন করেছে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ। তবে করোনা থেকে রক্ষায় ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে মাইকিংও করা হচ্ছে দলটির পক্ষ থেকে।

করোনা আতঙ্ক গ্রাস করেছে কমবেশি সবাইকেই। এরইমধ্যে ১০দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। তবে এর কয়েকদিন আগে থেকেই নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঘর হতে বের হচ্ছেন না বেশির ভাগ মানুষ। এ অবস্থায় প্রতিদিন রাজশাহী বিভাগে বাড়ছে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা সন্দেহভাজনের সংখ্যা। পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে-এমন আশঙ্কায় দুটি প্রাইভেট হাসপাতালও প্রস্তুত করা হচ্ছে।

গেল দু’দিনের পরিস্থিতিতে উদ্বেগ বেড়েছে স্বাস্থ্য বিভাগেরও।তারা বলছে, এখনই রাজশাহীকে লকডাউন ঘোষণা করা না হলে ইতালির মতই বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। এদিকে, করোনা ইস্যুতে খাদ্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় লকডাউন হলেও অন্তত তিন মাসের খাদ্য মজুদ আছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় মোট হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে চার হাজার ৪জনকে।এরমধ্যে কেবল সোমবারই হোম কোয়ারেন্টাইনে গেছে ৭৮৮জন।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন