দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দর চালু হলে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে উত্তরের জীবন-জীবিকায়

0

দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দর চালু হলে ভারত-নেপাল-ভুটানের সাথে তৈরী হবে রেল ও স্থল পথে লাভজনক যোগাযোগ ব্যবস্থা। জেলা শহর থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরত্বের এই বন্দরকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছে উত্তরাঞ্চলের ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ। ব্যবসার পরিধি বাড়াসহ নানা সুবিধার আওতায় আসবে এই তিন দেশের মানুষ।ইতিবাচক প্রভাব পড়বে উত্তরের জীবন-জীবিকায়।

দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলার মধ্যে ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা বিরল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। উপজেলার বিরল-রাধিকাপুর ষ্টেশন, ভারত-নেপাল-ভুটানের সাথে যোগাযোগ স্থাপন ও বানিজ্যের পরিধি বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। ২০১৭ সালের ৮ এপিল বাংলাদেশ-ভারতের দুই প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন বন্দরের প্রাথমিক কার্যক্রম। এখন চলছে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে তেলবাহি ট্যাঙ্কার পরিবহন। এরি মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে ১৭ একর জমি অধিগ্রহন।

স্থানীয়রা বলছে, এই বন্দর হলে অনেকের কর্মসংস্থান হবে। শুধু অর্থনীতি নয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও লাগবে সমৃদ্ধির ছোঁয়া।

বিরল বেসরকারি বন্দর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বলছে, একার পক্ষে এর অবকাঠামো উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রথম দিকে সরকারের কিছুটা ‘ধীরে চলা নীতি’ থাকলেও বর্তমানে তৎপর বলে জানান, তারা।

গত ৬ জুলাই রেলমন্ত্রী ও নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী পরিদর্শন শেষে এক সুধী সমাবেশে বলেন, এই সরকারের মেয়াদেই চালু হবে, বন্দরের কার্যক্রম।

যোগাযোগ উন্নয়ণে এই বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম বলে মনে করছে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন