দশ বছরে বাণিজ্য দ্বিগুণ হলেও নতুন বিনিয়োগ নেই চট্টগ্রাম বন্দরের আইসিডি খাতে

0

১০ বছরে আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্য দ্বিগুণ হলেও নতুন বিনিয়োগ হয়নি চট্টগ্রাম বন্দরের আইসিডি খাতে। মাত্র ১৯টি অফডক দিয়েই শতভাগ রপ্তানী আর প্রায় অর্ধেক আমদানী পণ্য হ্যান্ডেল করতে হিমসিম খাচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, লাভ কম হওয়ায় এই খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হচ্ছে না উদ্যোক্তারা। আর বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, অফডকগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোসহ এই খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আইনী জটিলতা নিরসনে উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকেই।

আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্য পরিচালনায় একছত্র অধিপতি চট্টগ্রাম বন্দরের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯টি বেসরকারী কন্টেইনার ডিপো বা অফডক। এক সময়ের লোভনীয় এই ব্যবসাটি এখন থমকে দাড়িয়েছে। তবে ১০ বছরে নতুন কোন অফডক আসেনি। উর্দ্ধমূখী বাণিজ্যের পরিসংখ্যান বলছে, এভাবে চললে ২০২১ সালের পর স্থবিরতা নেমে আসবে বন্দরে।তাই এই খাতটিকে টিকিয়ে রাখতে প্রনোদনা সুবিধা দেয়ার দাবি বিকডার।

বিজিএমইএ বলছে, অপারেশনে থাকা অফডকগুলো শতভাগ সক্ষম করে তুলতে পারলে এখনই সংকটে পরতো না আমদানী রপ্তানী বাণিজ্য।

আর চট্টগ্রাম চেম্বার বলছে, কৃষিজমি আর বণাঞ্চলকে ঘিরে উন্নয়ন প্রকল্প নেয়া যাবে না-এমন সরকারি নীতির জন্যই আইসিডি খাতে বিনিয়োগে আসছে না। বন্দরের আশে পাশে এই দুটি খাত বাদ দিলে, একদাগে ২০ একর জমির সংস্থান খুবই কঠিন।

বন্দরের অভ্যন্তরীণ ডিপোগুলোতে ৫০ হাজারের কাছাকাছি আর ১৯টি অফডক মিলে আরো ৬০ হাজার কন্টেইনার সংরক্ষণের সক্ষমতা আছে। পরিসংখ্যান বলছে, সক্ষমতার প্রায় সবটুকু ব্যবহৃত হচ্ছে এখনই।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন