শুক্রবার, জুলাই ১

গেলো তিন বছরে বিমানবন্দর থেকে অবৈধভাবে দেশে আনা প্রায় ৪২১ কেজি স্বর্ণ আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। যার বেশিরভাগই আনা হয় পাচারের উদ্দেশ্যে। মাদক ও অস্ত্র কারবারীরা এসব স্বর্ণ চোরাচালানের সাথে যুক্ত বলে জানিয়েছে কাস্টমস।

২০১৯ সালে দেশের বিমানবন্দরগুলোতে কাস্টমস গোয়েন্দাদের হাতে আটক হয় প্রায় ১৮০ কেজি স্বর্ণ। ২০২০ সালে এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১৭৪ কেজি। চলতি বছর জব্দ হয়েছে ৬৬ কেজি।

রোববার বিমান বাংলাদেশের কার্গো হোল্ডের মাঝের চেম্বারের ভিতর থেকে প্রায় ১২ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করে কাস্টমস গোয়েন্দারা। যদিও এ ঘটনায় আটক করা যায়নি কাউকে।

এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সেরও দায় আছে বলে মনে করছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। জুয়েলারি মালিকরা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত কিনা এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিলেও, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলছেন, চোরাইপথে আসা স্বর্ণের বেশিরভাগই আবার অন্যদেশে ফেরত যাচ্ছে।

নির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া এসব স্বর্ণের চোরাচালান আটক সম্ভব নয় বলে স্বীকার করেন তিনি। তার দাবি, মাদক ও অস্ত্র কারবারীরাও জড়িত থাকতে পারে।

দেশে প্রতিবছর ১৮ থেকে ৩৬ টন স্বর্ণের চাহিদা থাকলেও গত বছর বৈধভাবে আমদানি হয়েছে মাত্র ১০ কেজি স্বর্ণ।

Share.

Leave A Reply