জ্বর ও সর্দিকাশিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা, করোনা সংক্রমণ নাকি স্বাভাবিক প্রশ্ন উঠেছে

0

জ্বর ও সর্দিকাশিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা, করোনা সংক্রমণ নাকি স্বাভাবিক-এমন প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ মানুষের মাঝে। কারণ, এধরনের মৃতদেহ দাফনের ক্ষেত্রে স্থানীয়দের বাধায় পড়তে হয়েছে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোকে। চিকিৎসকরাও বলছেন, কেবল সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর আশঙ্কা নেই বললেই চলে। তবে তাদের ধারণা, এ ধরনের রোগীরা অন্য কোনো রোগে মারা যেতে পারেন। কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করেই করোনা সংক্রমণের কথা বলা যাবে না।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর, গেল ১৯ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৪০ জনেরও বেশি মারা গেছেন, করোনার উপসর্গ বা সর্দিজ্বর, হাঁচিকাশি ও শ্বাসকষ্টে। এদের মধ্যে কয়েকজনের নমুনার পরীক্ষা করেও করোনা ধরা পড়েনি। অথচ করোনাআতঙ্কে বেশির ভাগ মৃতকেই দাফনে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। বগুড়ার শিবগঞ্জে জ্বর ও সর্দিকাশিতে মৃত এক ব্যক্তিকে দাফন করেছে খোদ পুলিশ। এমন কি হাসপাতাল ঘুরে ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মারা যাওয়ার অভিযোগও করেছেন নওগাঁর মৃত যুবক আল আমিনের বাবা।

তবে চিকিৎসকরাও বলছেন, কেবল সর্দিজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর নজির খুব একটা নেই। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান, আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় স্বাভাবিক নিয়মেই সর্দিকাশির প্রকোপ বাড়ে। তবে তা করোনা সংক্রমণ কি না তা পরীক্ষার ছাড়াই নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ নেই।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও জানিয়েছেন, জ্বর বা সর্দিকাশিতে আক্রান্ত শতভাগ রোগীই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।তবে আল আমিন মারা গেছে ব্রেন ইনফেকশনে- পরীক্ষায় ছাড়াই এমন তথ্যও দিচ্ছেন তারা। এদিকে, রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় এখনো কোনো করোনা রোগীর সন্ধান মেলে নি- মঙ্গলবার ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীকে এমন তথ্য জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন