জো বাইডেনকে বিদেশি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগে সহযোগিতা করছে না দেশটির পররাষ্ট্র দফতর

0

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে বিদেশি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগে সহযোগিতা করছে না দেশটির পররাষ্ট্র দফতর। এছাড়া নিয়ম থাকলেও বাইডেনকে জানানো হচ্ছে না প্রেসিডেন্টের দৈনন্দিন গোয়েন্দা ব্রিফিংও। অন্যদিকে মন্ত্রিপরিষদ সাজানো শুরু করেছেন বাইডেন।

সদ্যসমাপ্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের ফল এখনও মেনে নেননি দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফলে বিষয়টি নিয়ে বেশ ঝামেলায় আছেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পথে থাকা বাইডেন ঘর সাজাতে শুরু করেছেন। তার পরিকল্পনা মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা গড়ে তোলা। এমনকি নতুন মন্ত্রিসভায় কয়েকজন রিপাবলিকান রাজনীতিবিদও ঠাঁই পেতে পারেন। ৪৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্টের মন্ত্রিসভায় কে কে থাকছেন-সে বিষয়ে জল্পনাকল্পনা শুরু হয়েছে।

১৯৮০-এর দশক থেকে বাইডেনের সহযোগী রন ক্লেইনকে নতুন চিফ অব স্টাফ হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। নতুন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, হোয়াইট হাউসে ক্লেইনের মতো বিচিত্র অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও রাজনৈতিক পরিসরে কাজ করতে সমর্থ ব্যক্তির প্রয়োজন রয়েছে। সঙ্গে মন্ত্রিসভার উচ্চপদে কারা থাকবেন তাদের নামও জনসম্মুখে আসতে শুরু করেছে।

এদিকে, এবার পরাজয় স্বীকার না করায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন পররাষ্ট্র দফতরে বাইডেনের প্রতিনিধিদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। সাধারণ নিয়মানুযায়ী, নতুন প্রেসিডেন্টের সব ধরনের যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর । কারণ, ফলাফলের পর নতুন প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দেন অনেক সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান। পররাষ্ট্র দফতর বার্তাগুলো পৌঁছে দিতে নতুন প্রেসিডেন্টকে সহায়তা করে থাকে। সহায়তা না পেয়ে বিদেশি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বাইডেন শিবির। এদিকে ওকলাহোমার রিপাবলিকান সিনেটর জেমন ল্যাঙ্কফোর্ড বলেছেন, শুক্রবারের মধ্যে বাইডেনকে গোয়েন্দা ব্রিফিং দেয়ার বিষয়ে কোনো উন্নতি না হলে তিনি পদক্ষেপ নেবেন এবং কথা বলবেন।

এদিকে, অ্যারিজোনায় জয়ী হয়েছেন ডেমোক্র্যাটদলীয় প্রার্থী জো বাইডেন। তিনি ২৯০ ইলেকটোরাল ভোট পেতে যাচ্ছেন, যা তার বিজয়কে সুনিশ্চিত করবে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন