চীনের করোনা ভাইরাসের কারণে অস্থির দেশের খাদ্যপণ্যের বাজার

0

চীনের করোনা ভাইরাসের কারণে অস্থির দেশের খাদ্যপণ্যের বাজার। বিশেষ করে মশলা আর ফলের বাজারে দাম বেড়েছে অস্বাভাবিক। তবে সহসা সংকট সমাধানের পথ না দেখে, বিকল্প বাজারের সন্ধানে নেমেছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, অন্য দেশ থেকে পণ্য এনে চাহিদা মেটানো গেলেও, দাম বাড়বে কয়েকগুন।

টানা কয়েক মাস ধরে অস্থির পেঁয়াজের বাজার সহনশীল হয়ে ওঠার আগেই বাড়তে শুরু করেছে আদা, রসুনসহ বিভিন্ন ধরণের মশলা জাতীয় পণ্যের দাম। দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জে গেল দশ দিনের ব্যবধানে চীন থেকে আসা প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়েছে ২ থেকে ৩ গুন।

একই দশা চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় ফলের বাজার ফলমন্ডির। আপেল, কমলা, নাসপাতি, মাল্টা, আনারসহ চীন থেকে আসা অন্তত ২০ ধরণের ফল দিয়ে মেটানো হতো দেশের চাহিদা।দেশটিতে ছড়িয়ে পরা করোনা ভাইরাসের কারণে, গেল ১৫ দিনে কোন চালান না আসায় সংকটের মুখে এই বাজারও। ফুটেজ-২

ব্যবসায়ীরা বলছেন, চীনের সংকট সহসায় সমাধানের পথ না দেখে থাইল্যান্ড থেকে রসুন, মিয়ানমার থেকে আদা, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও পাকিস্তান থেকে ফল আনতে উদ্যোগী হয়েছেন তারা। কিন্তু এসব পণ্য আসতে আরো অন্তত ১৫ থেকে ২০ দিন লাগবে। এই সময়ে বাজার কোথায় গিয়ে ঠেকে তা নিয়েই দুশ্চিন্তায় তারা।

আমদানী কারকরা বলছেন, ৩০ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শিপমেন্ট বন্ধ থাকলেও ১৬ ফেব্রুয়ারী থেকে তা স্বল্প পরিসরে শুরুর ঘোষণা দিয়েছে চীন। এই শিপমেন্ট শুরু হলে সংকট নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে না। স্বাভাবিক সময়ে প্রতি ৩ দিনে গড়ে দুটি করে জাহাজ চীন থেকে চট্টগ্রামে এলেও গেল ২০ দিনে এসেছে মাত্র একটি জাহাজ। হঠাৎ করে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেদেশের বিভিন্ন কোস্পানীকে এলসি করে বিপাকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। বিকল্প বাজার পাওয়া গেলেও পুঁজির যোগান নিয়ে শংকিত তারা। ফুটেজ-৩

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন