চীনের এক উহান প্রদেশের কারণে পুরো চীনকে নিয়ে ভীত হওয়ার কোনো কারণ নেই: চীন রাষ্ট্রদূত

0

করোনা ভাইরাসের কারণে চীনে অবরুদ্ধ আরো ১৭১ বাংলাদেশীকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং জানান, চীনের এক উহান প্রদেশের কারণে পুরো চীনকে নিয়ে ভীত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তার সরকার দ্রুতই এ সমস্যা কাটিয়ে উঠবে বলেও দাবি করেন তিনি। দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তারা।

চীনের উহানে করোনাভাইরাস ভয়াবহ হয়ে ওঠায় সেখান থেকে সরকারি খরচে ৩১২ জন শিক্ষার্থীকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয় গত ১ ফেব্রুয়ারি। আরও ১৭১ শিক্ষার্থী দেশটির অন্য একটি প্রদেশে অবস্থান করছে। ৩১২ শিক্ষার্থীকে ফেরানোর পর সরকারের পক্ষ থেকে অন্যদের নিজ খরচে ফেরার কথা বলা হলেও চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান সরকার তাদেরও ফিরিয়ে আনবে।

একই অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের তৈরী পোশাক খাত সহ কয়েকটি খাতে চীন থেকে কাঁচামাল না আসায় যে সাময়িক স্থবিরতা তৈরী হয়েছে তা দ্রুতই কেটে যাবে। আর এই দু:সময়ে বাংলাদেশ চীনের পাশে থাকায় ধন্যবাদও জানান লি জিমিং। ড. মোমেন বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় চীনকে মাস্ক, হ্যান্ড সেনিটাইজারসহ কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস বাংলাদেশ থেকে চীনে পাঠানো হবে। অন্যদিকে, করোনাভাইরাস শনাক্তে দু’দিনের মধ্যে বাংলাদেশকে ৫০০ কিট দেয়া হবে বলেও নিশ্চিত করেন চীনের রাষ্ট্রদূত।

করোনা ভাইরাস নিয়ে সমবেদনা প্রকাশ করে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী চীনা রাষ্ট্রদূতকে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া সেই চিঠিও হস্তান্তর করেন।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন