চিকিৎসা সেবায় জনগণের আস্থা অর্জন করেছে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসাররা

0

করোনা সংকটে তৃণমূলে চিকিৎসা সেবায় জনগণের আস্থা অর্জন করেছে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসাররা। যদিও নেই তাদের পদোন্নতি কিংবা উচ্চশিক্ষার সুযোগ। এছাড়া, এক যুগের বেশী সময় ধরে বন্ধ রয়েছে এসব পদে নিয়োগও। একই অবস্থা টেকনোলজিস্ট নিয়োগের ক্ষেত্রেও। এ কারণে, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শুরু করে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে সংকট রয়েছে টেকনোলজিস্টের।

বরিশাল জেলায় ৮৫টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃস্বাস্থ্য সেবা, প্রসূতি সেবা নিশ্চিত করছেন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসাররা। কোনো কোনো উপজেলা এবং জেলায় গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসক সংকট থাকায় সেখানে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসাররা জরুরি বিভাগসহ আউটডোর, ইনডোরে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকে।এই করোনাকালেও তাদের চিকিৎসা সেবা চলছে স্বাভাবিক দিনগুলোর মতোই।

এদিকে, ডিপ্লোমাধারী চিকিৎসকদের বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নতি করার প্রতিশ্রুতি আজও বাস্তবায়ন হয়নি। নেই উচ্চশিক্ষা, পদোন্নতি।  জনসংখ্যা অনুযায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্রেগুলোতে পদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুর দাবি জানান বছরের পর বছর ধরে বেকার বসে থাকা ডিপ্লোমাধারী শিক্ষার্থীরা। নিয়োগ প্রক্রিয়া সচল করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ডিপ্লোমা মেডিকেল এসোসিয়েশনের এ নেতা।

স্বাস্থ্য দপ্তরের এ কর্মকর্তা বললেন, নতুনদের চাকরি ব্যবস্থা করা হলে গ্রাম পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মান আরো বাড়বে।  দেশে সরকারি নয়টি এবং বেসরকারি ২০৯টি ম্যাটস্ থেকে প্রতিবছর প্রায় ত্রিশ-হাজার শিক্ষার্থী পাশ করে বের হয়। কিন্তু, এরপর উচ্চশিক্ষার সুযোগ নেই তাদের। আর, সরকারি নিয়োগ না থাকায় বেকার এসব ডিপ্লোমা চিকিৎসক মানবেতর জীবন যাপন করছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন