চালের বাজারে থামছে না নৈরাজ্য

0

চালের বাজারে থামছে না নৈরাজ্য। খুচরা বাজারে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হওয়া মোটা চালের কেজি এখন ৫০ টাকা। মূল্যবৃদ্ধির দায় নিতে নারাজ মিল মালিক ও আড়তদাররা। ধানের বাড়তি দামের অজুহাত দেখাচ্ছেন মিল মালিকরা। আর আড়ৎদাররা বলছেন, মিল মালিকদের সিন্ডিকেটের কারণে, চড়া দামে চাল কিনতে হচ্ছে তাদের।

গেলো বছরের তুলনায় দেশে বোরো ধানের গড় ফলন প্রতি হেক্টরে ০.২০ মে.টন বেড়ে উৎপাদন হয়েছে ৪.১৭ মে.টন। সরকার তার নিজস্ব মজুদ বাড়াতে ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত ৭৮.৫৪ কোটি ডলারের চাল আমদানি করেছে। দেশে চালের উৎপাদন, সরবরাহ, আমদানি ও মজুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও গত ১৩ মে বিভিন্ন চালের দাম কেজিপ্রতি গড়ে ৫ টাকা বাড়ানো হয়। ২৫ জুন পর্যন্ত এই বাড়তি দামেই বিক্রি হয়েছে চাল।
২৬ জুন কেজিপ্রতি ২ টাকা কমলেও পরে আবার কেজিপ্রতি ৩ থেকে ৪ টাকা বাড়ে।

পাইকারি বাজারে মিনিকেট চালের কেজি ৫৮-৫৯ টাকা আর খুচরা ৬৩ থেকে ৬৪ টাকা। পাইকারিতে ৪৭-৪৮ টাকা আটাশ ও পাইজাম চাল। খোলাবাজারে আটাশ চালের মূল্য ৫৪ থেকে ৫৫ টাকা। আর পাইজাম কেজিতে ৫৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে কেজিতে ৬৭ টাকা বিক্রি হওয়া জিরা নাজির চালের পাইকারি মূল্য ৬০ থেকে ৬২ টাকা।

খোলাবাজারে সবচেয়ে কমদামে বিক্রি হওয়া মোটা চালের দামও কেজিতে ৫০ টাকা।
বারবার কেন বাড়ছে চালের দাম, এমন প্রশ্নে আড়তদাররা বলছেন, এর সদুত্তর দিতে পারবেন মিল মালিকরা। সিন্ডিকেটের কারণেই এমন সমস্যা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।

তবে স্টক করে রাখার অভিযোগ করছেন মিল মালিকরা। তাদের দাবি, ধানের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায়, বেড়েছে চালের দাম। তবে খোলাবাজারে নজরদারি বাড়ানোর দাবি মিল মালিকদের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন