চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পুরণ না হওয়ার আশংকা

0

চট্টগ্রামে অন্যান্যবারের চেয়ে অর্ধেক মৌসুমী ব্যবসায়ীও আসেনি চামড়ার বাজারে। ফলে ৬ লাখ চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পুরণ না হওয়ার আশংকা করছেন আড়ৎদাররা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারের বেধে দেয়া দামে চামড়া বিক্রি করতে না পারলে ফের লোকসানে পড়বেন তারা। আর পুলিশ বলছে, বাজারে চামড়া কম আসায় পাচারের আশংকা তৈরী হয়েছে তবে তা প্রতিরোধে তৎপর আছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

গত বছর চট্টগ্রামের কোরবানী পশুর পরিমান ছিলো ৭  লাখ ৩০ হাজার। করোনার কারনে এবার তা ২০ থেকে ২২ শতাংশ কমেছে। ফলে সাড়ে ৫ লাখ থেকে ৬ লাখ চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরে আড়ৎদারদের প্রস্তুতি নিতে বলেছিলো প্রাণী সম্পদ বিভাগ।

সে অনুযায়ী লবন, শ্রমিক ও গুদাম প্রস্তুত করেছিলেন আড়ৎদাররা। কিন্তু gDclvঈদের দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত দেড় লাখ চামড়াও আসেনি কাঁচা চামড়ার পাইকারি বাজার আতুড়ার ডিপোতে । মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বলছেন গতবার লোকসানে পড়ে এবার বাজারে আসেননি অনেকেই।

আড়তদাড়দের দাবি, গেলবারের বকেয়া একটি টাকাও পরিশোধ করেননি ঢাকার ট্যানারী মালিকরা। এই বাস্তবতায় কাঁচা চামড়া রপ্তানী কিম্বা সরকারের মধ্যস্ততায় বেঁধে দেয়া দামে চামড়া কিনতে ট্যানারী মালিকদের বাধ্য না করলে ফের লোকশানে পড়বেন তারা।

এদিকে বাজারে চামড়া কম আসায় পাচারের আশংকায় বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারীর পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানোর কথা বলছে পুলিশ। প্রাণী সম্পদ বিভাগ বলছে, গেলবার প্রচুর চামড়া নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এবার চট্টগ্রামের বড় বড় মাদ্রাসা এতিমখানাসহ উপজেলা পর্যায়ের ব্যবসায়ীদেরও স্থানীয় পর্যায়ে কাঁচা চামড়া লবনজাত করতে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন