চট্টগ্রামের কোরবানীর পশুর বাজারগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় উপচে পড়ছে

0

চট্টগ্রামের কোরবানীর পশুর বাজারগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় উপচে পড়ছে। পশুর মজুদও আছে পর্যাপ্ত। তবে কেনা বেচা জমেনি এখনো। ক্রেতারা বলছেন অস্বাভাবিক দাম হাঁকায় বাজেটের সঙ্গে মেলাতে পারছেন না বাজার। আর বিক্রেতাদের দাবি ক্রেতারা ন্যায্য দাম থেকে এখনো অনেক দুরে থাকায় বিক্রি করতে পারছেন না তারা। তবে করোনার কারণে ভিড় এড়াতে অনেকে ধর্না দিচ্ছে খামারগুলোতে। অন্যান্যবারের চেয়ে সেখানে বিক্রিও বেড়েছে অনেক।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পশু বাজার চট্টগ্রামের সগরিকার চিত্র এটি। বিক্রির আশায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ব্যাপারিদের গরু বাজার ছাড়িয়ে রাস্তার দুপাশে বিক্রি হচ্ছে। ট্রাকে ট্রাকে আসছে কোরবানীর পশু। বাজারে ক্রেতাদের ভিড়ও অগের চেয়ে বেশি। তবে বেচাকেনা জমেনি উঠেনি। ক্রেতাদের দাবি গেল বছরের চেয়ে কয়েকগুন বেশি দাম হাঁকায় বাজার এখনো মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে।

আর বিক্রেতারা বলছেন, গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, করোনার কারনে খামার পরিচালনায় জটিলতা সবশেষ পরিবহন ভাড়া বেড়ে যাওয়াসহ নানান কারণে এবার তাদের খরচ বেশি। ক্রেতারা এখনো তাদের চাহিদার কাছাকাছি না আসায় বিক্রি কম হচ্ছে।

নগরীর আরফিনগর এলাকার নাহার ক্যাটল ফার্মের চিত্র এটি। ঈদকে টার্গেট করে ৫ শতাধিক গরু মোটাতাজা করা হয়েছিল এখানে। এরই মধ্যে খামার থেকেই সাড়ে চারশো’র বেশি গরু বিক্রি হয়েছে। একই চিত্র নগরীর অধিকাংশ খামারের। করোনার কারনে ভিড় এড়াতে ক্রেতাদের বড় একটি অংশ এবার খামার থেকেই গরু কিনছেন। খামার মালিকরাও পশু বাজারে তোলার ঝামেলা এড়াতে নানান ধরণের সুবিধা দিচ্ছেন।

পশু সম্পদ বিভাগ বলছে গত কয়েক বছর ধরেই অনলাইনে ও খামার থেকে কোরবানীর পশু বিক্রি বেড়েছে। তবে এবার অতিতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। প্রতিষ্ঠিত খামারগুলোর অধিকাংশের পশুই এবার বাজারে তুলতে হয়নি। বাজার ব্যবস্থাপনার এই পরিবর্তন পশুপালনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে আগামীতে। এমনটাই বলছেন সংশ্লিষ্টদের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন