ঘণ্টা বাজিয়ে ঐতিহাসিক বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট ম্যাচ উদ্বোধন করলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

0

ঘণ্টা বাজলো ইডেন গার্ডেন্সে। শেষ হলো প্রতীক্ষার কাউন্ট ডাউন। একটা টেস্ট ম্যাচকে নিয়ে কত আয়োজন হতে পারে, দেখালো ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল। দেখলো পুরো বিশ্ব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে সূচনা হলো দু’দেশের ক্রিকেটের নতুন অধ্যায়ের। প্রথমবারের মতো দিবা-রাত্রির টেস্টে মুখোমুখি হলো বাংলাদেশ-ভারত।

কে নেই কলকাতার ক্রিকেট স্বর্গে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলককার, কাপিল দেব কিংবা অন্য ভুবনের তারকারা। সৌরভ গাঙ্গুলির সপ্রতিভ উপস্থিতি আর কর্মদক্ষতার অন্যন্য নজির গোলাপি টেস্টের উদ্বোধনী দিন।

ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও। দু’দেশের জাতীয় সংগীতে। ঘণ্টা বাজানো আর জাতীয় সংগীতের আগে হয়েছে টস, যেখানে জয় বাংলাদেশের প্রথম গোলাপি বল অধিনায়কের।

প্রধামন্ত্রীর শেখ হাসিনার সাথে ভারতীয় দলের পরিচিতি পর্ব ছিল প্রাণবন্ত।সতীর্থদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কাজটা সারেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

মুশফিকের সাথে আলাদাভাবে কথা বলা। লিটন দাসকে সাহস দেয়া সবই ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট্ট পরিচিতি পর্বে।

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলেন কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার। আর বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি।

জাতীয় সংগীতের আগে বাংলাদেশ অভিষেক টেস্ট দলের সাদস্যদের ছোট্ট সংবর্ধনা পাশাপাশি এক ফ্রেমে বন্দী হবার চেষ্টা। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন , নাঈমুর রহমান দুর্জয়, আকরাম খান, হাবিবুল বাশাররা চলে গেলেন কিছুক্ষণের জন্য স্মৃতির পাতায়। এমন আয়োজনে মঙ্গল আর আনন্দের বার্তা নিয়েই তো শুরু হলো কলকাতা টেস্ট।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন