গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার জ্ঞানের ফেরিওয়ালা সুনীল কুমার গাঙ্গুলী

0

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার জ্ঞানের ফেরিওয়ালা সুনীল কুমার গাঙ্গুলী। ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন একটি পাঠাগার। তবে এখানে নেই কোনো চেয়ার-টেবিল কিংবা পাঠক সমাগম। তবুও থেমে থাকেননি তিনি। দীর্ঘ ২১ বছর ধরে বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন বই। এলাকায় ‘জ্ঞানের ফেরীওয়ালা’ হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন সুনীল কুমার গাঙ্গুলী।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার প্রত্যন্ত গ্রাম কুমরিয়ায় বাস করেন সুনীল কুমার গাঙ্গুলী। জন্ম ১৯৫৮ সালে। উচ্চ মাধ্যমিক পাসের পর আর্থিক অভাবে আর পড়াশুনা করতে পারেননি। চাকুরি নেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। নিজে পড়াশোনা করতে না পারায়, নিজ গ্রামে ১৯৯৮ সালে মাত্র ৫০টি বই নিয়ে গড়ে তোলেন পাঠাগার।

২৫ বছর শিক্ষকতার পর ২০১৫ সালে অবসরে যান সুনীল কুমার গাঙ্গুলী। ওই বছরই চন্দ্রিকা জ্ঞান পাঠাগার নামকরণের মাধ্যমে বইয়ের পরিসর বাড়ান। বর্তমানে ৬’শ বই রয়েছে। এ গ্রাম থেকে সে গ্রামের বাড়ী বাড়ী গিয়ে বই পৌঁছে দেন। আবার নিজে গিয়েই নিয়ে আসেন সেই বই।

আর্থিক অসঙ্গতির কারনে নতুন করে বই কিনতে পারছেন না। আর প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র না থাকায়, নষ্ঠ হচ্ছে অনেক বই-এমনটাই জানান সুলীল কুমার গাঙ্গুলী। এলাকায় জ্ঞানের ফেরিওয়ালা হিসাবে পরিচিত পেয়েছেন তিনি। তার এ কর্মকান্ডে উপকৃত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। সুনীল কুমার গাঙ্গুলীর পাঠাগারকে সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। সুনীল কুমার গাঙ্গুলী বেঁচে থাকতে চান তার কর্ম আর পাঠাগারের মধ্যে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন