খুলনার সরকারি হাসপাতালগুলোতে এখনও কোন সুনির্দিষ্ট প্রস্তুতি নেই

0

করোনাভাইরাস চিকিৎসায় খুলনার সরকারি হাসপাতালগুলোতে এখনও কোন সুনির্দিষ্ট প্রস্তুতি নেই। কার্যত: কিছু বেড প্রস্তুত রাখার মধ্যে সবকিছু সীমাবদ্ধ। ফলে এখনই একজন করোনা আক্রান্ত রোগী এলে, কোথায় কিভাবে তার চিকিৎসা দেয়া হবে তা নিয়ে কর্তৃপক্ষ রয়েছেন সিদ্ধান্তহীনতায়। এ অবস্থার মধ্যে খুলনা বিভাগে ২ হাজার ৮৮৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা নিয়ে শঙ্কিত চিকিৎসকরা রোগীদের ধারে কাছে আসছে না। চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না জ্বর সর্দি কাশি ও গলাব্যথা নিয়ে আসা রোগীদের। নিজেদের সামান্যতম সুরক্ষা পেলে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও প্রয়োজনীয় মাস্ক, পোশাক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারই দেয়া হয়নি চিকিৎসকদের। এখন পর্যন্ত সামান্য কয়েকটি চিকিৎসা সামগ্রী নিয়ে তারা বসে আছে।

ইন্টার্নি ও র্কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বলছেন, পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইকুপমেন্ট না পাওয়ার কারণে তারা যেমন ঝুঁকিতে রয়েছেন, তেমনি রোগীরাও তার থেকে বেশি ঝুঁকিতে থাকবে। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের এই নেতা বলছেন, করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় খুলনায় এখনো কোন ব্যবস্তা নাই।আইডিসিআরকে জানালে তারাই সব ব্যবস্থা করবে।

খুলনা মেডিকেল কলেজের পরিচালক বললেন, বারবার চাহিদা দেয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত তেমন কিছুই পাইনি তারা। বিভাগীয় শহরের হাসপাতাল থেকে ৩ জন চিকিৎসকে ট্রেনিং ও একটা স্পেশাল গাড়ির ব্যবস্থা করা জরুরি বলে জানান তিনি। আর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক জানালেন, খুলনা বিভাগে ২ হাজার ৮৮৪ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। তাদের উপর নজরদারি রাখা হয়েছে। তিনি সবাইকে দেশ ও পরিবারের স্বার্থে হোম কোয়ারেন্টাইন মানার জন্য অনুরোধ জানান।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন