ক্রয়াদেশ বাতিলে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ির ভবিষ্যত

0

করোনাভাইরাসের কারণে হিমায়িত চিংড়ি ও মাছের ২৯০টি ক্রয়াদেশ বাতিল হওয়ায় ৪৬০ কোটি টাকার রপ্তানি ক্ষতি হয়েছে। গেল অর্থ বছরে হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি করে দেশে বৈদেশির মুদ্রা আসে ৪ হাজার ২২৮ কোটি টাকা। আর এই খাতে আগামি অর্থ বছরে আয়ের লক্ষ্য ছিল ১৩ হাজার কোটি টাকা। চিংড়ি রপ্তানি বন্ধ হওয়ায় রপ্তানিকারকরদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ির ভবিষ্যত।

বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া হিমায়িত চিংড়ির ৮৫ ভাগ যায় ইউরোপে, আর ১৫ ভাগ আমেরিকাসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে। তবে সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ার পর বন্ধ হয়ে গেছে হিমায়ীত চিংড়ি রপ্তানি। এতে আর্থিক মন্দার শিকার হয়েছে দেশের অন্যতম রপ্তানি পণ্যের এই খাত।

বর্তমানে বিশ্ব বাণিজ্যের স্থবির পরিস্থিতিতে দ্রুততম সময়ে হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি শুরুর সম্ভাবনা নেই। তাই এ খাতকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারের প্রনোদনার দিকেই তাকিয়ে আছেন রপ্তানিকারকরা।

দেশে একসময় ১শ’ ৫টি হিমায়িত চিংড়ি প্রক্রিয়াজাত কারখানা গড়ে উঠলেও ২০০৮ সালের বিশ্ব মন্দার সময়ে তারল্য সংকটে বন্ধ হয়ে যায় ৭০টি প্রতিষ্ঠান। তাই এবারের মন্দা সামাল দিতে ব্যাংক ঋণের সুদ মওকুফ ও শ্রমিক মজুরি পরিশোধে দ্রুত সরকারি সহায়তা চেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন