কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে বোরো ধানের বীজতলা

0

মৌলভীবাজারে চলতি বোরো মৌসুমে প্রচণ্ড শীত আর ঘন কুয়াশায় কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে বোরো ধানের বীজতলা। এতে হতাশ হয়ে বোরো চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে কৃষকরা। এদিকে জামালপুরে শৈত্য প্রবাহের কারণে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা আর ঘন কুয়াশায় পচে যাচ্ছে মরিচের ফুল ও পাতা। সার ও কীট নাশক ব্যবহার করেও মিলছে না রেহাই।

চলতি বোরো মৌসুমে মৌলভীবাজার জেলায় ৫৩ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য বোরো বীজতলা করা হয়েছে ২ হাজার ৬শ’ ৫৪ দশমিক ১২ হেক্টর জমিতে। মৌসুমের শুরুতেই প্রচণ্ড ঠাণ্ডা, ঘন কুয়াশা ও অসময়ে বৃষ্টিতে চারা গজানোর সময়ই বীজতলায় বোরো চারার শেখর পচে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে সংকটে পড়েছে অনেক কৃষক।

কুয়াশা থেকে রক্ষার জন্য বীজতলার ওপর পলিথিন টাঙানো এবং পুকুরের পানি কচি চারার ওপর ছিটানোসহ কৃষকদের নানা মুখি পরামর্শ দিচ্ছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। জামালপুর জেলার ৭ উপজেলায় এবার ৮ হাজার ১শ’ ৪০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এসব মরিচ বিক্রি হয় দেশের অন্য জেলায়। তবে প্রচণ্ড শীত আর ঘন কুয়াশায় মরিচের ফুল ও পাতায় দেখা দিয়েছে পচন রোগ। কীট নাশক ব্যবহার করেও ফল মিলছেনা।

স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ঘন কুয়াশার কারণে প্রথমে মরিচের কিছুটা ক্ষতি হলেও ছত্রাক নাশক ব্যবহারের মাধ্যমে এ রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে মরিচের পচনরোধে সংশ্লিষ্ট বিভাগ এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, এমনই প্রত্যাশা কৃষকদের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন