শুক্রবার, জুলাই ১

কেমন ছিলো বঙ্গবন্ধু বিপিএলের প্রথম পর্ব। প্রাপ্তির খাতায় কি কিছু যোগ হলো নাকি ভুলে যাওয়ার মতো এক অধ্যায় পার করলো দলগুলো।প্রথম পর্বে লো স্কোরিং ম্যাচের সমালোচনা থাকলেও, দুই ম্যাচে শতভাগ জয়ে সবচেয়ে সফল দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তলানিতে ঢাকা, চার ম্যাচে জয় মাত্র একটি। দলগত সর্বোচ্চ সংগ্রহ চট্টগ্রামের। ব্যক্তিগত অর্জনে দেশি ক্রিকেটারদের আধিপত্য। তবে, সব কিছু ছাপিয়ে প্রথম পর্বে আলোচনায় ক্রিকেটারদের পুষ্পা দ্যা রাইস সিনেমার সেলিব্রেশন।

চার-ছক্কার এমন এমন একটা বিপিএলই হয়তো প্রত্যাশা করেছিলেন ক্রিকেট ভক্তরা। তারকা মহাতারকাদের মিলন মেলায় ভক্তদের এমন আশা করাটা মোটেও বারাবারি নয় নিশ্চই।
কিন্তু বিপিএলের অষ্টম আসর পুরোই ব্যতিক্রম। যেখানে বোলারদের দাপট, ব্যাটার দুর্বলতা স্পট।

প্রথম পর্বে ৮ ম্যাচের ১৬ ইনিংসে দেড়’শ উর্ধ্ব ইনিংসে কেবল মাত্র ৬টা। এক’শ বা তার নিজে পাঁচ ইনিংস, মেরমেরে বিপিএল প্রমাণে যথেষ্ট। ব্যক্তিগত অর্জনেও তাই। তিন ফিফটিতে রংহীন নিষ্ফলা অষ্টম আসরের প্রথম পর্ব।

প্রথম পর্বে লো স্কোরিং ম্যাচের সমালোচনা থাকলেও, দুই ম্যাচে শতভাগ জয়ে সবচেয়ে সফল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। দুইয়ে চট্টগ্রাম, টেবিলের তলানিতে মিনিস্টার ঢাকা।

দলগত সর্বোচ্চ সংগ্রহ চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ১৯০। সর্বোনিম্ন ৯৫ ফরচুন বরিশালের। সিলেটেরও আছে এক’শর নিচে অলআউট হওয়ার লজ্জ।

ব্যক্তিগত অর্জনও রংহীন তবে, দেশি ক্রিকেটারদের আধিপত্য বড় প্রাপ্তি। সেরা পাঁচ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তিনজনই বাংলাদেশী। ১২৪ রানে সবার উপরে ঢাকার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। একই দলের তামিম, শুভাগত হোম আছেন তালিকায়।

বোলিংয়ে শুধু দেশিদের জয়জয়কার। দুই ম্যাচে ৭ উইকেট নাজমুল অপুর বড় চমক। এক উইকেট কম তালিকার দুইয়ে থাকা চট্টগ্রামের মেহেদী ও শরিফুলের। সেরা পাঁচে একমাত্র বিদেশী বরিশালের আলজারি জোসেফ।

নিরুত্তাপ প্রথম পর্বে উত্তাপ ছড়িয়েছে তামিল সিনেমা পুষ্পা দ্যা রাইসের উদযাপন। আলু অর্জুনের সেলিব্রেসনে মজেছেন নাজমুল অপু, সাকিব, ডুয়াইন ব্রাভো। নবাগত তানভির ইসলামরাও একই সেলিব্রেসনে বিপিএল মাতানোর চেস্টায়।

Share.

Leave A Reply