কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে ‘লেট ব্লাইট’ রোগে আলুক্ষেত আক্রান্ত হওয়ায় দিশেহারা কৃষকরা

0

দিনাজপুরে কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে ‘লেট ব্লাইট’ রোগে আলুক্ষেত আক্রান্ত হওয়ায় দিশেহারা কৃষকরা। বার বার বালাইনাশক ব্যবহার করেও মিলছে না প্রতিকার। অন্যদিকে টানা শৈত্য প্রবাহের কারণে আলু ভালো ফলন নিয়ে শঙ্কায় কুড়িগ্রামের কৃষকরা। নিয়মিত পরিচর্যাসহ কীটনাশক ও হীমের ওষুধ প্রয়োগ করে আলু ক্ষেত ভালো রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা। কৃষি বিভাগ থেকে কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেন না কৃষকরা।

চলতি বছর দিনাজপুরে প্রায় ৪২ হাজার ৮৭৫ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে, যা গেল বছরের তুলনায় ২ হাজার হেক্টর বেশি। শীতের আগাম আলুর ভালো দাম পাওয়ায় চলতি মৌসুমে বেড়েছে আলু চাষ। কিন্তু শীতের কুয়াশা মড়ার উপর খাড়ার ঘা ‘ হিসাবে দেখা দিয়েছে আলুক্ষেতে। প্রচণ্ড শীত ও ঘন কুয়াশায় ক্ষেতে দেখা দিয়েছে ‘লেট ব্লাইট’ রোগ। ফলে পচে যাচ্ছে আলুর পাতা ও কাণ্ড।

কৃষি অফিসের সংশ্লিষ্ট মাঠ পযার্য়ের কাউকে না পেয়ে সরনাপন্ন হচ্ছেন কীটনাশক বিক্রেতা-কোম্পানী প্রতিনিধির। বার বার কীটনাশক ব্যবহার করা সত্বেও মিলছে না কোন প্রতিকার। কৃষকদের লেট ব্লাইট সহনশীল জাতের আলু চাষ আর কীটনাশক ও সার ব্যবহারের বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রামে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। যারা আগাম আলু রোপন করেছেন, তারা শৈত্য প্রবাহের হাত থেকে আলু ক্ষেত রক্ষায় সচেষ্টা। ক্ষেত পরিচর্যার পাশাপাশি সেচসহ লেট ব্রাইট রোগ থেকে রক্ষায় নিয়মিত কীটনাশক ও হীমের ঔষধ প্রয়োগ করছেন।

টানা দুই সপ্তাহের শৈত্য প্রবাহের পর আবারো শৈত্য প্রবাহের দেখা ভালো ফলন ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় চিন্তিত কৃষকরা। শীত ও কুয়াশায় যাতে আলু ক্ষেতে মড়ক না ধরে, সে জন্য কৃষকদের কীটনাশক প্রয়োগ ও খেত পরিচর্যায় কৃষি বিভাগ থেকে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন