কালো ছাগলের চামড়ার জন্য বিখ্যাত কুষ্টিয়ার চামড়া পট্টি এবার একেবারেই সুনশান

0

ব্ল্যাক গোট বা কালো ছাগলের চামড়ার জন্য বিখ্যাত কুষ্টিয়ার চামড়া পট্টি এবার একেবারেই সুনশান। করোনার কারণে টানা বন্ধে বেকার প্রায় তিন’শ শ্রমিক। গত তিন বছরের পাওনা এখনও পরিশোধ করেনি ঢাকার টেনারি মালিকরা। কাঁচা চামড়া রফতানি শুরু না হলে এ শিল্প বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশংকা করছে সংশ্লিষ্টরা।

গত দু’বছর আগে একটি ছাগলের চামড়ার দাম ছিল দু’শ থেকে ২৫০ টাকা। এবার ৫০ টাকায়ও বিক্রি কঠিন হয়ে পড়ে। দু’হাজার টাকার গরুর চামড়া চার’শ থেকে সাত’শ টাকায় কিনেছে কুষ্টিয়ার আড়তদাররা। অনেকে যাতায়াত খরচের আশংকায় আড়তে চামড়া না দিয়ে ফেলে দিয়েছে বা মাটিতে পুঁতে রেখেছে। তবে, আড়তদাররা বলছে নির্ধারিত দামেই তারা চামড়া কিনেছে।

ভালো চামড়া কেউ ফেলে দেয়নি বলে মনে করেন, চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির এই নেতা। কুষ্টিয়ার চামড়া পট্টিতে কাজ করে প্রায় তিন’শ শ্রমিক। প্রতি বছর কোরবানির সময় ব্যস্ততা থাকে প্রায় দুই সপ্তাহ। এবার সেই ব্যস্ততা নেই। বেতনও পায় না তিন মাস।

চামড়ার দাম নেই। অথচ, চামড়াজাত পণ্যের দাম অনেক বেশি বলে ক্ষোভ জানায়, সাধারণ ক্রেতারা। সিন্ডিকেট আর সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া এক শ্রেণীর ট্যানারি মালিকদের কারণে চামড়া শিল্প ধ্বংস হচ্ছে বলে মনে করে, স্থানীয় সচেতন মহল।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন