করোনায় সংক্রমণে কতটা সতর্ক এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ

0

করোনায় সংক্রমণে কতটা সতর্ক এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। আইসিসির নিয়মে-শুধু নামেই সীমাবদ্ধ ক্রিকেটারদের বায়োবাবল। কাজের বেলায় যেন শুভঙ্করের ফাকি। যার রসানলে পরেছে বিশ্বকাপ কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিকরা।

বায়োবাবল বা জৈব সুরক্ষা। ক্রিকেটারদের করোনা মোকাবেলায় অপরিহার্য বিষয়। যে নিয়মে সিরিজ কিংবা টুর্নামেন্টের সময় ক্রিকেটার কিংবা সংশ্লিষ্টদের কাছে যাতে কেউ ঘেঁষতে না পারে। আইসিসির টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপও তার ব্যতিক্রম নয়।

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভারে যাওয়া আসা সাংবাদিকদেররাও এই নিয়মের আওতায়। কোন ক্রিকেটার তো নয়ই সংশ্লিষ্ট সবার সাথে রাখতে হবে যথাযথ দূরত্ব। নিয়ম মেনে ৭২ ঘন্টা পরপর করোনা টেস্ট করাতে হচ্ছে। নেগেটিভ সনদ না থাকলে ম্যাচ রিপোর্টিং বন্ধ। উপস্থিত থাকা যাবে প্রেস কনফারেন্স কিংবা পোস্ট ম্যাচেও। নিয়মে অতিষ্ঠ আরব আমিরাতে থাকা সাংবাদিকরা।

প্রশ্ন থেকে যায়, আইসিসি যাদের সুরক্ষায় এতো সব নিয়ম তারাই বা কতোটা সচেতন? এই যেমন আইসিসির ধারা ভাষ্যকার ডারেন সামি। কখনো মাঠ কখনো প্রেসবক্সে তাঁর অবাধ বিচরণ। সাংবাদিকদের সাথে ছবি তোলাতেও সামিল। বিশ্বকাপের মতো এতো আসরে নিয়মের হেলাফেলা। আয়োজক ভারত। যদি তাই হয় তাহলে বায়ো-বাবল নিয়ে নতুন করে চিন্তা করতে হবে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন